অন্বেষণ
- বোরহান আজমীর
গোধূলি তমে পথিক আমি ছায়া করি সঞ্চয়,
ঝড়ো পবনে তালবনে বাজে বাজে ভয়ারব ধ্বনি।
দূর আজান গগন হইতে ধ্বনিত হয় মর্মরে,
খেয়া ডাকে পারের খেয়ায় উঠিতে কারো আহ্বানে।
আমি তব পদাঙ্ক ধরি ধরি করুণ যাত্রা,
স্বপ্নপক্ষে তব গগনযান চিত্ত করি দর্শন,
দ্বীপমেঘে রবি আচ্ছাদে ঘন ঘোর নীলিমা,
দত্যিদানো গগন গিলে খায় অগ্নি জ্যোতির্ময়।
জ্যোৎস্নাতে হরিদ্রাবনে ঝরে ধবল কিরণ,
ডাকঘণ্টা বাজে রাত্রি করে রহস্য বীণন।
গম্ভীর পবন আনয় সুগন্ধ হেমশিশিরে,
প্রভাতে হঠাৎ থামি হে, পদচিহ্ন মিলায়ে।
দিগন্তপথে দাঁড়াই একলা রাহুরত,
হাতে কেবল ছায়া মনের অন্তরে জাগে প্রশ্ন
এই অনুসরণ কি গন্তব্য নাকি অনন্ত ধোঁকা?
যাত্রার এ পরিণতি কি শাশ্বত শূন্যরূপ?
১১-০১-২০২৬
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।