এমন হেমন্তের রাতেই তারে বলা যায়!
- শাওন সারথি
এমন হেমন্তের রাতেই তারে বলা যায়!
মৃদু শীতের আহ্বানে
ক্রমেই কমতে থাকে হৃদয়ের উষ্ণতা।
এর মাঝেই হঠাৎ উঁকি দেয়
রুপালী আভার চাঁদ।
হৃদয়ের অনুভূতিগুলি মাথাচারা দেয়।
যে যৌবনের গন্ধে উদ্ভাসিত হয়েছিল
পৃথিবীর কোন এক রাত।
যখন পৃথিবীর বুকে পেয়েছিল
ভালবাসার প্রথম স্পর্শ
পৃথিবীর প্রথম যৌবনেরা!
সেইরকম সুবাস ছড়িয়েছে আবার
পৃথিবীর এই ধূসর ধুলায়
হেমন্তের এই নির্জন রাত্রে।
এমন হেমন্তের রাত্রেই তারে বলা যায়!
শিশিরের ফোটার মত চোখ নিয়ে
যখন কোন নারী দেখে,
হেমন্তের রাতের কুয়াসায়।
যে চোখের ভেতর খেলে যায়
কামনার উত্তপ্ত স্পর্শ।
ঘন কুয়াশার ভেতর থেকে
সে দৃষ্টি দোল খায়
পৃথিবীর পরে।
শিমুলের চূড়ায় তখন
লুটিয়ে পরে শীতল হাওয়া।
যেখানে কোন এক যৌবনেরা
মিলন অনুভূতির বীজ করেছিল বপন
কোন এক হেমন্তের রাত্রে।
সেইরকম সুবাস ছড়িয়েছে আবার
পৃথিবীর এই ধূসর ধুলায়
হেমন্তের এই নির্জন রাত্রে।
এমন হেমন্তের রাত্রেই তারে বলা যায়!
অসংখ্য নক্ষত্রে
যে কথামালা সাজানো থাকে।
কোন এক হেমন্তের রাতে
যে নারী তার চুল ছড়িয়েছিল
সেই সুবাসিত কথামালার উপর।
যেগুলো রচিত হয়েছিল কোন এক যৌবনে
এমন কোন হেমন্তের রাতের
রুপালী আভার চাঁদের আলোয়!
যার স্পর্শ পেয়েছিল
পৃথিবীর সবচেয়ে দূরতম নক্ষত্র!
যে বাস করে হৃদয়ের সবচেয়ে কাছাকাছি আর
তখনই অনুভূতিগুলো
আরও বেশি মৌনতা পায়।
সেইরকম সুবাস ছড়িয়েছে আবার
পৃথিবীর এই ধূসর ধুলায়
হেমন্তের এই নির্জন রাত্রে।
এমন হেমন্তের রাত্রেই তারে বলা যায়!
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।