দীর্ঘ রাত্রি
- বেঞ্জিন বেঞ্জয়েট
রাত্রি তুই আর কত দীর্ঘ হবি ?
তোমারে নিয়ে লিখে বুঝি আমি হয়ে যাব কবি ।
তোমার চলন বক্র পথে বাক'ও তোমার বাঁকা ,
তোমার কৃষ্ণ চাদরে আমার সারা অঙ্গ ঢাকা ।
ঝিঁঝিঁ পোকার গুঞ্জন শুনি কাঁদে সে আর্তনাদে ,
অনাথ ডাহুক বিনিদ্রে কাঁদে স্বজনহারা ঘাতে ।
আলেয়ার আলো নিভে-জ্বলে নয়নে লাগে ভুয়া ,
প্রহরে প্রহর শুনে যাই শুধু শিয়ালের হুক্কা-হুয়া ।
জোনাক চায় স্ব'আলোয় ধরা হোক আলোকিত ,
আঁধার কেটে অবনী হোক আলোতে প্রশমিত ।
আঁধারের বশে ঘুমন্ত ধরা, জাগ্রত সব শ্বাপদ ,
রাত বিহানে ডেকে এনেছে যে ভয়ঙ্কর বিপদ ।
বিচরণ তাদের উদর পূজোয় দেমাগ বেশ চড়া ,
তাদের হাতেই নিরীহ হরিণের প্রাণ বাঁচা মরা ।
শিয়ালে আসি মহিষের গ্রীবায় দেয় সে কামড়,
এক শিয়ালের এহেন দেখি আসে সব আপামর ।
হিংস্র জন্তুর এহেন দেখে হয়না বুদ্ধি নিরীহের ,
একাকী কাঁদে শোকে ধুঁকে মর্মটা তার বিরহের ।
ভাবেনা কভু জোট বাঁধি শক্তি করলে প্রয়োগ ,
একে একে সব শ্বাপদকে করতে পারবে বিয়োগ ।
আপনার মাঝে থাকে সদা তারা সাজি শমসের ,
তায় বুঝিয়ে পায় সর্বদায় তার জীবনের হেরফের ।
রাত্রি কাটেনা তার অযুত নিযুত যুগ গেলেও ...
কাটবে'না কভু বুদ্ধিহীনার আরো শতযুগ এলেও ।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।