আজ ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩, মঙ্গলবার
লগইন
রেজিস্টার
নীড় পাতা
কবিতার বিষয়
নীতি কবিতা
রূপক কবিতা
ধর্মীয় কবিতা
দেশাত্মবোধক কবিতা
প্রেমের কবিতা
প্রকৃতির কবিতা
যুদ্ধের কবিতা
মানবতাবাদী কবিতা
বিরহের কবিতা
ছোটদের ছড়া-কবিতা
বিবিধ কবিতা
খ্যাতিমান কবি
কাব্যমেলা
কাব্যগ্রন্থ
আমাদের কথা
বিজ্ঞপ্তি
কিছুক্ষণ থাকো
তসলিমা নাসরিন
কিছুক্ষণ থাকো (২০০৫)
কবিতা
কাব্যগ্রন্থ
পঠিত
পারো তো ধর্ষণ করো
কিছুক্ষণ থাকো
৫২৯৫০ বার
নষ্ট মেয়ে
কিছুক্ষণ থাকো
৩৪৬১৮ বার
ফেস অফ
কিছুক্ষণ থাকো
১১১১১ বার
মন উঠো
কিছুক্ষণ থাকো
১১১৪৬ বার
নারী-জন্ম
কিছুক্ষণ থাকো
১২০১৬ বার
পদ্মাবতী
কিছুক্ষণ থাকো
১৫২৭৫ বার
যা ইচ্ছে তাই
কিছুক্ষণ থাকো
১৫৬৫৮ বার
ও মেয়ে শোনো
কিছুক্ষণ থাকো
২৭৬৯৬ বার
তিন চার পাঁচ
কিছুক্ষণ থাকো
৯১৬২ বার
এগারোই সেপ্টেম্বর
কিছুক্ষণ থাকো
৮৮৭৬ বার
লজ্জা, ২০০২
কিছুক্ষণ থাকো
৭৮২৮ বার
লজ্জা ২০০০
কিছুক্ষণ থাকো
২০৯৫২ বার
আমেরিকা
কিছুক্ষণ থাকো
৯১১৫ বার
শেখো
কিছুক্ষণ থাকো
১০৭৫৩ বার
জীবনের কথা
কিছুক্ষণ থাকো
২২৪৫০ বার
কারো কারো জন্য এমন লাগে কেন!
কিছুক্ষণ থাকো
৪৭৪৩৯ বার
হিসেব
কিছুক্ষণ থাকো
১৭৭২৪ বার
ব্যস্ততা
কিছুক্ষণ থাকো
১৪৯১৯ বার
পাখিটা
কিছুক্ষণ থাকো
১১৯৪১ বার
ব্যক্তিগত ব্যাপার
কিছুক্ষণ থাকো
৩০৭২৬ বার
সময়
কিছুক্ষণ থাকো
১০৯৪৭ বার
যখন নেই, তখন থাকো
কিছুক্ষণ থাকো
১৬০২৮ বার
তোমার জন্য
কিছুক্ষণ থাকো
৩৪৭১৪ বার
কোথাও কেউ
কিছুক্ষণ থাকো
১১২৭৫ বার
বাঁচা
কিছুক্ষণ থাকো
৯২৩৬ বার
রাত
কিছুক্ষণ থাকো
১৬৮৮৪ বার
যদি বাসোই
কিছুক্ষণ থাকো
২১৩৭১ বার
এ প্রেম নয়
কিছুক্ষণ থাকো
৪৩১৫৩ বার
যেহেতু তুমি, যেহেতু তোমার
কিছুক্ষণ থাকো
১০৩৭০ বার
নিঃস্ব
কিছুক্ষণ থাকো
১২৪৫৬ বার
কাঁপন ২১
কিছুক্ষণ থাকো
১৪২০৩ বার
কাঁপন ২০
কিছুক্ষণ থাকো
৯৪১৫ বার
কাঁপন ১৯
কিছুক্ষণ থাকো
১০১৩২ বার
কাঁপন ১৮
কিছুক্ষণ থাকো
১১৮৬২ বার
কাঁপন ১৭
কিছুক্ষণ থাকো
৯৮০৮ বার
কাঁপন ১৬
কিছুক্ষণ থাকো
৮৫৪৪ বার
কাঁপন ১৫
কিছুক্ষণ থাকো
১০৫৭১ বার
কাঁপন ১৪
কিছুক্ষণ থাকো
৮৫৭৮ বার
অকাজ
কিছুক্ষণ থাকো
৮৭৪৭ বার
এমন ভেঙ্গে চুরে ভালো কেউ বাসেনি আগে
কিছুক্ষণ থাকো
১০৭৫৪৫ বার
শুয়ে শুয়ে
কিছুক্ষণ থাকো
২৩৫৫৫ বার
আরও প্রেম দিও
কিছুক্ষণ থাকো
৩৭৮৮৫ বার
চোখ
কিছুক্ষণ থাকো
১৭৯১৫ বার
অভিশাপ
কিছুক্ষণ থাকো
১৭০১৪ বার
তোমার কী !
কিছুক্ষণ থাকো
১৭৩১২ বার
রাতগুলো
কিছুক্ষণ থাকো
২০৯৯৪ বার
দুঃখ
কিছুক্ষণ থাকো
১২২৭৭ বার
শুনছো!
কিছুক্ষণ থাকো
২৪০৩৭ বার
ফিরে এসো
কিছুক্ষণ থাকো
৩২৬৩১ বার
ছিলে
কিছুক্ষণ থাকো
১০৬২৯ বার
তুই কোথায় শেফালি
কিছুক্ষণ থাকো
৯৭৬৫ বার
যেও না
কিছুক্ষণ থাকো
১২৩৯৯ বার
না-থাকা
কিছুক্ষণ থাকো
৯২২৭ বার
ছিল, নেই
কিছুক্ষণ থাকো
৫৭১১ বার
কলকাতা তুই তোর হৃদয়
কিছুক্ষণ থাকো
৮২৬০ বার
শেষ পর্যন্ত
কিছুক্ষণ থাকো
১১০৯৫ বার
তুষারের ঝড়ে
কিছুক্ষণ থাকো
৯৭২১ বার
প্রিয় মুখ
কিছুক্ষণ থাকো
১৪৫৬৯ বার
এসেছি অস্ত যেতে
কিছুক্ষণ থাকো
৮৬১৭ বার
মেয়েটি
কিছুক্ষণ থাকো
১০৬১৩ বার
কলকাতার প্রেম
কিছুক্ষণ থাকো
১০৫৯৫ বার
এবারের কলকাতা
কিছুক্ষণ থাকো
৬০৯৩ বার
ব্যস্ততা
কিছুক্ষণ থাকো
১০৪৪১ বার
সর্বাধিক পঠিত
পারো তো ধর্ষণ করো
তসলিমা নাসরিন
নষ্ট মেয়ে
তসলিমা নাসরিন
ফেস অফ
তসলিমা নাসরিন
মন উঠো
তসলিমা নাসরিন
নারী-জন্ম
তসলিমা নাসরিন
পদ্মাবতী
তসলিমা নাসরিন
যা ইচ্ছে তাই
তসলিমা নাসরিন
ও মেয়ে শোনো
তসলিমা নাসরিন
তিন চার পাঁচ
তসলিমা নাসরিন
এগারোই সেপ্টেম্বর
তসলিমা নাসরিন
লজ্জা, ২০০২
তসলিমা নাসরিন
লজ্জা ২০০০
তসলিমা নাসরিন
আমেরিকা
তসলিমা নাসরিন
শেখো
তসলিমা নাসরিন
জীবনের কথা
তসলিমা নাসরিন
কারো কারো জন্য এমন লাগে কেন!
তসলিমা নাসরিন
হিসেব
তসলিমা নাসরিন
ব্যস্ততা
তসলিমা নাসরিন
পাখিটা
তসলিমা নাসরিন
ব্যক্তিগত ব্যাপার
তসলিমা নাসরিন
সময়
তসলিমা নাসরিন
যখন নেই, তখন থাকো
তসলিমা নাসরিন
তোমার জন্য
তসলিমা নাসরিন
কোথাও কেউ
তসলিমা নাসরিন
বাঁচা
তসলিমা নাসরিন
রাত
তসলিমা নাসরিন
যদি বাসোই
তসলিমা নাসরিন
এ প্রেম নয়
তসলিমা নাসরিন
যেহেতু তুমি, যেহেতু তোমার
তসলিমা নাসরিন
নিঃস্ব
তসলিমা নাসরিন
কাঁপন ২১
তসলিমা নাসরিন
কাঁপন ২০
তসলিমা নাসরিন
কাঁপন ১৯
তসলিমা নাসরিন
কাঁপন ১৮
তসলিমা নাসরিন
কাঁপন ১৭
তসলিমা নাসরিন
কাঁপন ১৬
তসলিমা নাসরিন
কাঁপন ১৫
তসলিমা নাসরিন
কাঁপন ১৪
তসলিমা নাসরিন
অকাজ
তসলিমা নাসরিন
এমন ভেঙ্গে চুরে ভালো কেউ বাসেনি আগে
তসলিমা নাসরিন
শুয়ে শুয়ে
তসলিমা নাসরিন
আরও প্রেম দিও
তসলিমা নাসরিন
চোখ
তসলিমা নাসরিন
অভিশাপ
তসলিমা নাসরিন
তোমার কী !
তসলিমা নাসরিন
রাতগুলো
তসলিমা নাসরিন
দুঃখ
তসলিমা নাসরিন
শুনছো!
তসলিমা নাসরিন
ফিরে এসো
তসলিমা নাসরিন
ছিলে
তসলিমা নাসরিন
তুই কোথায় শেফালি
তসলিমা নাসরিন
যেও না
তসলিমা নাসরিন
না-থাকা
তসলিমা নাসরিন
ছিল, নেই
তসলিমা নাসরিন
কলকাতা তুই তোর হৃদয়
তসলিমা নাসরিন
শেষ পর্যন্ত
তসলিমা নাসরিন
তুষারের ঝড়ে
তসলিমা নাসরিন
কলকাতা কালচার
তসলিমা নাসরিন
প্রিয় মুখ
তসলিমা নাসরিন
এসেছি অস্ত যেতে
তসলিমা নাসরিন
মেয়েটি
তসলিমা নাসরিন
মন
তসলিমা নাসরিন
কলকাতার প্রেম
তসলিমা নাসরিন
এবারের কলকাতা
তসলিমা নাসরিন
এখন থেকে আর সত্য বোলো না
তসলিমা নাসরিন
সময়
তসলিমা নাসরিন
অভিমান
তসলিমা নাসরিন
চরিত্র
তসলিমা নাসরিন
বড় ভয়ে গোপনে গোপনে বাঁচি
তসলিমা নাসরিন
ভুল প্রেমে কেটে গেছে তিরিশ বসন্ত
তসলিমা নাসরিন
দুঃখবতী মা
তসলিমা নাসরিন
প্রত্যাশা
তসলিমা নাসরিন
ব্যস্ততা
তসলিমা নাসরিন
তালাকনামা
তসলিমা নাসরিন
নারী ৫
তসলিমা নাসরিন
নতুন মন্তব্য
নিজের কাছে স্বীকারোক্তি
কবিতায়
ফয়জুল মহী
- মন্তব্য করেছেন
দারুন উপস্থাপনা
পরানের গহীন ভিতর-১২
কবিতায়
মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
- মন্তব্য করেছেন
রক্তে বুনো জোয়ার ♣♦♦♦♦♦♦♦♦♣♣ #মোঃ_আব্দুল্লাহ_আল_মামুন দিনের আলোয় তুমি মায়াবী নক্ষত্র, প্রগলভ অভিনয়ে ঢাকা, জগৎ দেখুক তোমার চটুল রূপ, মিথ্যে সাজে আঁকা। কিন্তু নিভৃত রাতে যখন আমার বুকে নেমে আসে তোমার শরীর, ঝরে যায় ছদ্মবেশ, উন্মুক্ত হয় এক আদিম তৃষ্ণার গভীর। আমি ভালোবাসি তোমার ওই ক্লান্ত ওষ্ঠের কাঁপন, ওই অবাধ্য রূপ, যা আমার তপ্ত বুকের ওমে খুঁজে নেয় এক তীব্র কামনার কূপ। তুমি প্রেমিকা, এক অনন্ত রহস্যের উর্বর ভূমি, তোমার নরম ওমে বিলীন হতে চাই আমি। বুকের গহীনে যেখানে স্পন্দিত হয় এক গোপন সুর, সেখানে আমাকে টেনে নাও, মুছে যাক ব্যবধান বহুদূর। লেপ্টে থাকুক আমাদের তপ্ত শ্বাস একাকার হয়ে, সবটুকু ক্লান্তি আর অস্তিত্ব হারিয়ে যাক তোমার আশ্রয়ে। তোমার শরীরের প্রতিটি ভাঁজে যেন এক আদিম ইশারা, যার মায়াবী টানে আমি অবশ, পুরোপুরি আত্মহারা। তোমার সেই গোপন উদ্যানের ছায়াময় নিভৃত কোণে, যেখানে সুবাস ছড়ায় কামিনী আর বুনো জুঁইয়ের বনে— সেখানে আমাকে আবৃত করো তোমার গভীর আবেগে, সমস্ত বাঁধন ভেঙে জাগুক এক চরম তৃষ্ণা রাত জেগে। এসো আরও কাছে, ছিঁড়ে ফেলো সমস্ত আড়াল আর লজ্জার জাল, আজ রাতে ভাঙুক নিয়মের বাঁধ, রক্তে উঠুক উত্তাল মাতাল। তোমার ওই কম্পিত ওষ্ঠাধরে লুকিয়ে আছে সৃষ্টির আদিম ইশারা, যেখানে আমার তৃষ্ণার্ত ঠোঁটের ছোঁয়ায় তুমি হবে দিকবিদিকহারা। আমি গভীর চুম্বনে এঁকে দেব তীব্র দাগ তোমার গ্রীবার নরম ভাঁজে, আমাদের উত্তপ্ত নিশ্বাসের ঝড়ে মহাবিশ্ব কাঁপুক এই কামনার মাঝে। একেবারে নিঃশেষ করে দাও আমার পুরুষালি অহংকার, আজ রাতে শুধু থাকুক আমাদের এই তীব্র একাকার। তোমার নিবিড় আলিঙ্গনে, তোমার স্পর্শের তীব্র দাহে, তলিয়ে যেতে চাই আমি এক অনন্ত মায়াময় মোহে। তুমিই আমার আশ্রয়, তুমিই সেই তৃষ্ণার শেষ জল, তোমার মাঝেই পূর্ণ হোক আমাদের এই কামনার অনল। লোকচক্ষুর আড়ালে তুমি শান্ত নও, এক অবাধ্য মায়াবী নারী, তোমার ওই নিস্তব্ধতার গভীরে আমি আমার পুরুষত্বে দিতে পারি পাড়ি। যখন তোমার অবশ, নগ্ন শরীর ভেঙে পড়ে আমার অবাধ্য বাহুপাশে, আমার প্রতিটা শিরার রক্তে তখন এক বুনো, আদিম মত্ততা আসে। শরীর ছাড়িয়ে আমরা ডুব দিই কামনার সেই অতল গহ্বরে, যেখানে দুটি ওষ্ঠের তীব্র মিলনে ধূমকেতুরা চূর্ণ হয়ে ঝরে। তুমি আমার সেই নিষিদ্ধ সত্য, যাকে পৃথিবী কখনো পায়নি ছোঁয়া, তোমার ক্লান্তির কালো মেঘে আমি জ্বালি কামনার তীব্র ধোঁয়া। আজ সমস্ত ব্যবধান মুছে, এসো একে অপরের গ্রাসে হই বিলীন, যেখানে শরীর বলবে শরীরের ভাষা, আর মহাবিশ্ব হবে আমাদের অধীন। তোমার এই কামার্ত রূপে আমার মুক্তি, তোমার উত্তপ্ত বুকে আমার ঠাঁই, আজ রাতের এই লেলিহান কামদহনে—তোমাতে আমি ছাই হতে চাই! তোমার ওষ্ঠের মায়াবী মধু পান করে মেটাতে চাই আজন্ম তৃষ্ণা, আমায় এমন এক অলঙ্ঘ্য আলিঙ্গনে জড়াও, যেখানে মুছে যায় সব কৃষ্ণা। যেন কোনো এক অবাধ্য বাঁধনে বন্দি হয়ে রই তোমার তপ্ত বুকে, ছুটে যাওয়ার সব পথ হারিয়ে, চিরতরে তলিয়ে যাই এই চরম সুখে। তোমার শরীরের নিভৃত উপত্যকায় যেখানে বয়ে চলে কামনার তীব্র ঝর্ণাধারা, সেখানে অবগাহন করে, সেই মায়াবী স্রোতে ভেসে আমি হতে চাই দিশেহারা। জ্বলে উঠুক কামের লেলিহান অনল, পুড়ে ছাই হয়ে যাক আমাদের সমস্ত আমিত্ব, আজ রাতের এই নিবিড় দহনেই পূর্ণ হোক আমাদের এই আদিম রাজত্ব। তোমার ওই নরম বাহুর বেষ্টনীতে আমায় শক্ত করে বেঁধে রাখো চিরদিনের মতো, তোমার ওই কামুক মায়াবী জালে জড়িয়ে নাও আমার ব্যাকুল বাসনা যত। আলিঙ্গনের এই নিশ্ছিদ্র চাদরে ঢাকা পড়ে যাক সমস্ত জাগতিক রাত, তোমার ওই অতল আশ্রয়েই সমর্পিত হোক আমার অস্তিত্বের শেষ আঘাত। তোমার বুকের যে নরম সৈকত, উর্বর আর অপার রহস্যে ঘেরা, সেখানে আমায় টেনে নাও নিবিড়ে, যেখানে স্তব্ধ জগতের কোলাহল সারা। আজ রাতে জাগুক আমাদের রক্তে এক চিরন্তন, আদিম চাষাবাদ, তোমার শরীরে তৃষ্ণার বীজ বুনে মেটাব আমার সহস্র জন্মের সাধ। পুড়ে খাক হয়ে যাক আমাদের অস্তিত্ব এই তীব্র কামনার আগুনে, লালিত মিলনের মত্ততায় মেতে উঠুক দুটি তনু এই ফাগুনে। তোমার দুই ঊরুর সেই নিভৃত সঙ্গম, যেখানে বয়ে যায় মিলনের গোপন ঝর্ণাধারা, সেখানে অবগাহন করে এই তৃষ্ণার্ত পুরুষ আজ হতে চায় সম্পূর্ণ দিশাহারা। জড়িয়ে নাও আমায় তোমার ওই নরম বাহুর মায়াবী কামুক জালে, যেখানে সময় থমকে দাঁড়াবে আমাদের নিশ্বাসের উত্তাল তালে। ওগো আমার কামের রানী, আজ রাতে তোমার ওই নিষিদ্ধ সাম্রাজ্যে— আমায় তুমি রাজা হতে দাও, বিলীন করো তোমার চরম প্রেমের রাজত্বে।
জাহাজের মতো
কবিতায়
মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
- মন্তব্য করেছেন
অবাধ্য মলাটের শরীরী কাব্য ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ আমার এই বাহুলগ্নে থেকো জড়িয়ে, আমায় ভালোবাসতে দাও মনের সাধ মিটিয়ে; ঠিক যেভাবে আকুল হয়ে খোঁজে আমার মন, আর তুমি যা ভাবোনি সম্ভব হবে কোনোদিন। আমায় আজ দেখাতে দাও—ভালোবাসা কতটা সত্য, কতটা চিরন্তন। নির্জনতার তাগিদে কিংবা পথভোলা পথিকের মতো আমি তোমার প্রেমে পড়িনি। ভালোবেসেছি তোমায় কারণ, তোমাকে জানার পর বুঝলাম— আমার সমস্ত অস্তিত্ব জুড়ে আমি তোমাকেই চিরস্থায়ী করতে চাই। তোমার ঠোঁটের স্পর্শেই হোক আমার চিরকালের বিশ্রাম, জীবনের বাকি পথটুকু ওখানেই কাটুক অবিরাম। আত্মার গহীনের যে নিবিড়তা, সে তো মানুষেরই ভালোবাসার এক পরম অনুভব। লোকে যা ভাবে, তার চেয়েও গভীর কোনো উদ্দেশ্য লুকিয়ে থাকে এর মাঝে; এ যেন এক পথ—হৃদয়ের পাঠশালায় দীক্ষা নেওয়ার, আর নিঃশর্ত ভালোবাসাকে বুকে টেনে নেওয়ার। তোমার শরীরকে করেছি আজ আমার ক্যানভাস, আমার আঙুলের তুলিতে জাগছে আদিম তৃষ্ণা; সেখানে আমি এঁকে দেবো গোপন সব বাসনা, শারীরিক প্রেমের এক তীব্র, গভীর কবিতা। আমার স্পর্শের ভাষায় ফুটে উঠুক নিবিড় কাম, তোমার ত্বকের ভাঁজে ভাঁজে লিখে দেবো আমার নাম। বুকের চাদরে, চিবুকে আর নাভি-হ্রদের তীরে— কামনার মেঘ জমে আসুক মিলন-উৎসবে ফিরে। এমন অবাধ্য মলাটে আজ তোমায় জড়াবো বুকে, ভাষার অতীত সেই সুখে, অবশ করা এক সুখে; যেন তোমার দেহের প্রতিটা ইঞ্চি গলে মিশে যায় আমাতে, তুমি শুধু আমার, কেবলই আমার—এই শরীরী কাব্যেতে। তোমার কল্পনার ওপাড়ে ডানা মেলে; আমায় একটিবার দেখাতে দাও—ভালোবাসা সত্যিই কতটা খাঁটি। এমন তীব্র আবেগে আজ তোমায় আপন করে নেবো, তোমার রূপের ক্যানভাসে আমার সবটুকু ঢেলে দেবো; যেন তোমার দেহের প্রতিটা ইঞ্চি সাক্ষী দেয় এই ক্ষণের— তুমি অন্য কারও নও, তুমি শুধুই আমার এ মনের। বর্ষা আর সোহাগের রসে মাখামাখি, ঠিক যেমনটি ছিল তোমার চাওয়া। জানুক পৃথিবী, এ বর্ষা আসলে কামনার এক নিপুণ বর্শা, যা নিখুঁত নিশানায় ফুঁড়ে গেছে আমাদের যত দ্বিধা, যত নীরবতা; এ এক সুতীক্ষ্ণ মধুর আঘাত, যা জাগিয়ে তোলে অবশ শিরা-উপশিরা, আমাদের আদিম সত্ত্বাকে করে তোলে অবাধ্য, দিশেহারা। এই বর্শার টানেই আজ ভেঙে গেছে সব লোকলজ্জার বাঁধ, তীব্র আলিঙ্গনে মেতেছে আমাদের প্রতিটি পলক, প্রতিটি রাত। আর এই যে প্লাবন, অঙ্গ বেয়ে চুইয়ে পড়া এই যে জল— এ তো কোনো আকাশের মেঘের সাধারণ কান্না নয়, এ হলো দুটি তপ্ত দেহের মিলনে ঝরে পড়া তৃষ্ণার পরম ঘাম। তোমার ত্বকের মসৃণ উপত্যকা বেয়ে, বুকের চাদর আর নাভি-হ্রদের গভীরে যে রস জমেছে আজ, তা তো সোহাগের চরম ক্ষণে নিঙড়ে নেওয়া এক পবিত্র অমৃত। এ জল যেমন তৃপ্তির, তেমনই এ জল এক আদিম পিপাসার, যা আমাদের শরীরকে ভিজিয়ে একাকার করে দেয় বারবার। এই কামনার বর্শায় বিদ্ধ হয়ে, এই মিলনের জলে ভিজে, এসো আজ নিঃশেষে হারিয়ে যাই একে অপরের মাঝে।
পরানের গহীন ভিতর-৩
কবিতায়
মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
- মন্তব্য করেছেন
অবাধ্য মলাটের শরীরী কাব্য ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ আমার এই বাহুলগ্নে থেকো জড়িয়ে, আমায় ভালোবাসতে দাও মনের সাধ মিটিয়ে; ঠিক যেভাবে আকুল হয়ে খোঁজে আমার মন, আর তুমি যা ভাবোনি সম্ভব হবে কোনোদিন। আমায় আজ দেখাতে দাও—ভালোবাসা কতটা সত্য, কতটা চিরন্তন। নির্জনতার তাগিদে কিংবা পথভোলা পথিকের মতো আমি তোমার প্রেমে পড়িনি। ভালোবেসেছি তোমায় কারণ, তোমাকে জানার পর বুঝলাম— আমার সমস্ত অস্তিত্ব জুড়ে আমি তোমাকেই চিরস্থায়ী করতে চাই। তোমার ঠোঁটের স্পর্শেই হোক আমার চিরকালের বিশ্রাম, জীবনের বাকি পথটুকু ওখানেই কাটুক অবিরাম। আত্মার গহীনের যে নিবিড়তা, সে তো মানুষেরই ভালোবাসার এক পরম অনুভব। লোকে যা ভাবে, তার চেয়েও গভীর কোনো উদ্দেশ্য লুকিয়ে থাকে এর মাঝে; এ যেন এক পথ—হৃদয়ের পাঠশালায় দীক্ষা নেওয়ার, আর নিঃশর্ত ভালোবাসাকে বুকে টেনে নেওয়ার। তোমার শরীরকে করেছি আজ আমার ক্যানভাস, আমার আঙুলের তুলিতে জাগছে আদিম তৃষ্ণা; সেখানে আমি এঁকে দেবো গোপন সব বাসনা, শারীরিক প্রেমের এক তীব্র, গভীর কবিতা। আমার স্পর্শের ভাষায় ফুটে উঠুক নিবিড় কাম, তোমার ত্বকের ভাঁজে ভাঁজে লিখে দেবো আমার নাম। বুকের চাদরে, চিবুকে আর নাভি-হ্রদের তীরে— কামনার মেঘ জমে আসুক মিলন-উৎসবে ফিরে। এমন অবাধ্য মলাটে আজ তোমায় জড়াবো বুকে, ভাষার অতীত সেই সুখে, অবশ করা এক সুখে; যেন তোমার দেহের প্রতিটা ইঞ্চি গলে মিশে যায় আমাতে, তুমি শুধু আমার, কেবলই আমার—এই শরীরী কাব্যেতে। তোমার কল্পনার ওপাড়ে ডানা মেলে; আমায় একটিবার দেখাতে দাও—ভালোবাসা সত্যিই কতটা খাঁটি। এমন তীব্র আবেগে আজ তোমায় আপন করে নেবো, তোমার রূপের ক্যানভাসে আমার সবটুকু ঢেলে দেবো; যেন তোমার দেহের প্রতিটা ইঞ্চি সাক্ষী দেয় এই ক্ষণের— তুমি অন্য কারও নও, তুমি শুধুই আমার এ মনের। বর্ষা আর সোহাগের রসে মাখামাখি, ঠিক যেমনটি ছিল তোমার চাওয়া। জানুক পৃথিবী, এ বর্ষা আসলে কামনার এক নিপুণ বর্শা, যা নিখুঁত নিশানায় ফুঁড়ে গেছে আমাদের যত দ্বিধা, যত নীরবতা; এ এক সুতীক্ষ্ণ মধুর আঘাত, যা জাগিয়ে তোলে অবশ শিরা-উপশিরা, আমাদের আদিম সত্ত্বাকে করে তোলে অবাধ্য, দিশেহারা। এই বর্শার টানেই আজ ভেঙে গেছে সব লোকলজ্জার বাঁধ, তীব্র আলিঙ্গনে মেতেছে আমাদের প্রতিটি পলক, প্রতিটি রাত। আর এই যে প্লাবন, অঙ্গ বেয়ে চুইয়ে পড়া এই যে জল— এ তো কোনো আকাশের মেঘের সাধারণ কান্না নয়, এ হলো দুটি তপ্ত দেহের মিলনে ঝরে পড়া তৃষ্ণার পরম ঘাম। তোমার ত্বকের মসৃণ উপত্যকা বেয়ে, বুকের চাদর আর নাভি-হ্রদের গভীরে যে রস জমেছে আজ, তা তো সোহাগের চরম ক্ষণে নিঙড়ে নেওয়া এক পবিত্র অমৃত। এ জল যেমন তৃপ্তির, তেমনই এ জল এক আদিম পিপাসার, যা আমাদের শরীরকে ভিজিয়ে একাকার করে দেয় বারবার। এই কামনার বর্শায় বিদ্ধ হয়ে, এই মিলনের জলে ভিজে, এসো আজ নিঃশেষে হারিয়ে যাই একে অপরের মাঝে।
ব্যক্তিগত ব্যাপার
কবিতায়
মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
- মন্তব্য করেছেন
অবাধ্য মলাটের শরীরী কাব্য ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ আমার এই বাহুলগ্নে থেকো জড়িয়ে, আমায় ভালোবাসতে দাও মনের সাধ মিটিয়ে; ঠিক যেভাবে আকুল হয়ে খোঁজে আমার মন, আর তুমি যা ভাবোনি সম্ভব হবে কোনোদিন। আমায় আজ দেখাতে দাও—ভালোবাসা কতটা সত্য, কতটা চিরন্তন। নির্জনতার তাগিদে কিংবা পথভোলা পথিকের মতো আমি তোমার প্রেমে পড়িনি। ভালোবেসেছি তোমায় কারণ, তোমাকে জানার পর বুঝলাম— আমার সমস্ত অস্তিত্ব জুড়ে আমি তোমাকেই চিরস্থায়ী করতে চাই। তোমার ঠোঁটের স্পর্শেই হোক আমার চিরকালের বিশ্রাম, জীবনের বাকি পথটুকু ওখানেই কাটুক অবিরাম। আত্মার গহীনের যে নিবিড়তা, সে তো মানুষেরই ভালোবাসার এক পরম অনুভব। লোকে যা ভাবে, তার চেয়েও গভীর কোনো উদ্দেশ্য লুকিয়ে থাকে এর মাঝে; এ যেন এক পথ—হৃদয়ের পাঠশালায় দীক্ষা নেওয়ার, আর নিঃশর্ত ভালোবাসাকে বুকে টেনে নেওয়ার। তোমার শরীরকে করেছি আজ আমার ক্যানভাস, আমার আঙুলের তুলিতে জাগছে আদিম তৃষ্ণা; সেখানে আমি এঁকে দেবো গোপন সব বাসনা, শারীরিক প্রেমের এক তীব্র, গভীর কবিতা। আমার স্পর্শের ভাষায় ফুটে উঠুক নিবিড় কাম, তোমার ত্বকের ভাঁজে ভাঁজে লিখে দেবো আমার নাম। বুকের চাদরে, চিবুকে আর নাভি-হ্রদের তীরে— কামনার মেঘ জমে আসুক মিলন-উৎসবে ফিরে। এমন অবাধ্য মলাটে আজ তোমায় জড়াবো বুকে, ভাষার অতীত সেই সুখে, অবশ করা এক সুখে; যেন তোমার দেহের প্রতিটা ইঞ্চি গলে মিশে যায় আমাতে, তুমি শুধু আমার, কেবলই আমার—এই শরীরী কাব্যেতে। তোমার কল্পনার ওপাড়ে ডানা মেলে; আমায় একটিবার দেখাতে দাও—ভালোবাসা সত্যিই কতটা খাঁটি। এমন তীব্র আবেগে আজ তোমায় আপন করে নেবো, তোমার রূপের ক্যানভাসে আমার সবটুকু ঢেলে দেবো; যেন তোমার দেহের প্রতিটা ইঞ্চি সাক্ষী দেয় এই ক্ষণের— তুমি অন্য কারও নও, তুমি শুধুই আমার এ মনের। বর্ষা আর সোহাগের রসে মাখামাখি, ঠিক যেমনটি ছিল তোমার চাওয়া। জানুক পৃথিবী, এ বর্ষা আসলে কামনার এক নিপুণ বর্শা, যা নিখুঁত নিশানায় ফুঁড়ে গেছে আমাদের যত দ্বিধা, যত নীরবতা; এ এক সুতীক্ষ্ণ মধুর আঘাত, যা জাগিয়ে তোলে অবশ শিরা-উপশিরা, আমাদের আদিম সত্ত্বাকে করে তোলে অবাধ্য, দিশেহারা। এই বর্শার টানেই আজ ভেঙে গেছে সব লোকলজ্জার বাঁধ, তীব্র আলিঙ্গনে মেতেছে আমাদের প্রতিটি পলক, প্রতিটি রাত। আর এই যে প্লাবন, অঙ্গ বেয়ে চুইয়ে পড়া এই যে জল— এ তো কোনো আকাশের মেঘের সাধারণ কান্না নয়, এ হলো দুটি তপ্ত দেহের মিলনে ঝরে পড়া তৃষ্ণার পরম ঘাম। তোমার ত্বকের মসৃণ উপত্যকা বেয়ে, বুকের চাদর আর নাভি-হ্রদের গভীরে যে রস জমেছে আজ, তা তো সোহাগের চরম ক্ষণে নিঙড়ে নেওয়া এক পবিত্র অমৃত। এ জল যেমন তৃপ্তির, তেমনই এ জল এক আদিম পিপাসার, যা আমাদের শরীরকে ভিজিয়ে একাকার করে দেয় বারবার। এই কামনার বর্শায় বিদ্ধ হয়ে, এই মিলনের জলে ভিজে, এসো আজ নিঃশেষে হারিয়ে যাই একে অপরের মাঝে।
বিদ্রোহী
কবিতায়
মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন
- মন্তব্য করেছেন
তোমাকে দেখেছিলাম - মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন সেই অন্তিম প্রহরে উদিত হয়েছিল তোমার অবয়ব, হে মোর ধ্রুবতারা, আজও কালস্রোতে স্পন্দিত হয় তোমার ওষ্ঠের অমল হাসির ধারা। পদচিহ্ন তোমার অঙ্কিত রয়ে গেছে এই অবারিত শস্যক্ষেত্রের বুকে, শুকনো পাতার মড়মড় ধ্বনিতেও আমি শুনি তোমারি গীতসুধা পরম সুখে। যুগাবসান ঘটে গেছে, বালিকা আজ রূপান্তরিত এক পূর্ণা কুমারীতে, প্রকৃতি সেজেছে নব্য যৌবনে, কোকিল মগ্ন তার আদিম সংগীতে। বাস্তবতার কঠোর কষাঘাত আজও স্পর্শ করেনি এই অলীক স্বপ্নডানা, যৌবনের উত্তাল নদীতে সাঁতার কাটে যে কামুক রাজহাঁস,তার গতি অজানা। দিন বদলাল, জলবায়ু হলো রুক্ষ, মহাকালের নিয়মে পাল্টে গেল ঋতু, তবু তোমার ওষ্ঠপুটে ঝরে পড়ে প্রেমের অবিনশ্বর ধারা, জগৎ যেখানে ভীতু। কবিদের শুষ্ক উদ্যানে আজ ফাগুনের উন্মাদ দমকা হাওয়ার আগমন, আমি তো কাব্য রচয়িতা নই, আমি এক চিরন্তন প্রেমিক, সঁপেছি এ জীবন। আমি যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ফিরিনি কোনো স্বর্ণমুদ্রা বা বিজয়ের উল্লাসে, এসেছি যুগান্তরের পর, কেবল তোমার ওষ্ঠের সুধা আহরণের তীব্র আশ্বাসে। জগতে চলুক ধনতান্ত্রিক অন্ধ যুদ্ধ, চলুক পুঁজিবাদের নিষ্ঠুর আস্ফালন, আমি তো সেই বৈষয়িক সমরে পরাজিত এক নিঃস্ব সৈনিক, প্রেমই আমার ধন। ভাবনার উর্বর জমিনে আমি বুনেছি কবিতার বীজ, কল্পনায় তোমারি সন্ধান, জোড়া শালিক আর কাঠবিড়ালির আদিম প্রেমে খুঁজেছি তোমার অবসান। পৌষের কুয়াশায়, নবান্নের উৎসবে, মেঠো পথে দেখেছি তোমায় সবুজ শাড়িতে, আমাদের ভাঙা আঙিনায় উন্মুক্ত কেশের সেই রূপ, পারি কি ভাষায় গাঁথিতে? বিগত শেষ রাত্রিতে যখন গগন লিপ্ত ছিল এক মহাজাগতিক ক্রন্দনে, লোকে বলেছিল ওটা সাধারণ বৃষ্টি, আমি জানি ওটা ছিল বিচ্ছেদ আমাদের বন্ধনে। তোমার ওষ্ঠ ছিল সিক্ত, আমি দাঁড়িয়ে দূর এক নিভৃত আঁধারে, বকুল ফুল চুলে জড়ানো, রাঙা মেহেদি হাতে—দেখেছিলাম শেষ বোশাখের প্রহরে। মহাকালের সেই শেষ সন্ধ্যা আজ ইতিহাস হয়ে স্তব্ধ রয়ে গেছে মহাকাশে, মানুষ তা বোঝে না, বোঝে কেবল প্রেমিক কবি আর ঈশ্বর এই ফ্যাকাশে। জানে হুতুম পেঁচা, জানে ওই শ্বেত বক—যে সন্ধ্যায় আর ফেরেনি আপন নীড়ে, তোমার শোকে জোনাকিরা আলো নেভালো, কাঠবিড়ালির ছানা কাঁদে স্মৃতির ভিড়ে। লাল শাড়ির সেই অনিন্দ্য রূপ আজো অম্লান আমার এই ভগ্ন হৃদয়ের কুটিরে!
বিদ্রোহী
কবিতায়
আমেরিকান কবিতা
- মন্তব্য করেছেন
জয় হোক মানুষের
বনলতা সেন
কবিতায়
মোঃ সাব্বির হোসেন
- মন্তব্য করেছেন
চমৎকার লেখা, প্রেমের কবিতা!
আমার পরিচয়
কবিতায়
মোঃ সাব্বির হোসেন
- মন্তব্য করেছেন
চমৎকার লেখা আমার পরিচয়! পাঠে মুগ্ধ হলাম!
কেউ কথা রাখেনি
কবিতায়
মোঃ সাব্বির হোসেন
- মন্তব্য করেছেন
চমৎকার, মনোমুগ্ধকর একটি কবিতা।
slot gacor 2026
slot gacor
situs slot gacor 2026