হে ক্ষণিকের অতিথি
- ফয়জুস সালেহীন - হে ক্ষণিকের অতিথি

হে অতিথি, কোন এক হিরন্ময় দিনে কড়া নেড়েছিলি তুই এই পান্থশালায়। পান্থশালার ঝাড়বাতিগুলো যেনো আরো বেশী আলোকিত হয়েছিলো তোর আগমনে। জানালায় ঝুলেথাকা পর্দাগুলো নেচে নেচে জানিয়েছিলো তোকে অভিবাদন। তোর শোরগোলে পান্থশালাটি হয়েছিলো সরগরম। চেয়েছিলাম কাঁধে চড়িয়ে তোকে ঘুরে বেড়াবো পুরো পান্থশালা জুড়ে। কাঁধে তুই চড়েছিলি ঠিকই কিন্তু যেনো ভারী পাথর হয়ে! নীরব অভিমানে করেছিলি প্রস্থান তোর প্রস্থানে পান্থশালায়ও যেনো নেমে এসেছিলো শুনশান নীরবতা! ঝাড়বাতির আলোতে যেন লেপ্টে ছিলো শোকের প্রলেপ। জানালায় ঝুলে থাকা পর্দাগুলো তাকিয়ে ছিলো তোর চলে যাওয়া পথটির দিকে। তোর চলে যাওয়া পথটিও যেনো দিনভর থাকতো কাঁদো কাঁদো মুখ করে। ফ্রেমে বন্দী সুখানুভূতিগুলোও নীরবে করতো অশ্রু বিসর্জন। সময়ে শুকিয়ে যায় ক্ষত। ঘটে যাওয়া দুঃখগুলো হয় গত। দুঃখগুলো অবশেষে ঠাঁই নেয় মেনে নেয়ার গর্তে। আজ আমিও যে নাম লিখিয়েছি মেনে নেয়ার দলে। প্রতীক্ষাগুলোও যেনো আজ ঘেমে ঘেমে হয়েছে শ্রান্ত ক্লান্ত। এই দুটি চোখ খুঁজে বেড়ায়না তোকে হাজার মানুষের ভীড়ে। খুঁজে বেড়ায়না ওভারব্রীজে শপিংমলে,ট্রাফিকজ্যামে,বাসে কিংবা ট্রামে। তবে একটি প্রতীক্ষা এখনও ঘাম ঝরাচ্ছে ক্লান্তিহীন। "তোর আপনদেশেতে আমার কাঁধে চড়ে বসেছিস তুই।" প্রত্যাশার পূরণ ঘটবে কি সেদিন? হে ক্ষণিকের অতিথি! ২৫/০৬/২০১৫ খ্রীষ্টাব্দ।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

২৫-০৬-২০১৫ ১০:২২ মিঃ

মন যে সদা পুড়ে ক্ষণিকের অতিথির তরে।