মুক্তিযোদ্ধা মেজর খলিল
- আবু সাইদ লিপু

ছোট্ট মেয়েটি আগ্রহে জিগ্যেস করে
অপলক তাকিয়ে থাকে প্রশ্নের শেষে
চোখ দু’টিতে কোতুহলী চাহনি
সীমাহীন আকুলতা
‘এরপর কী বাবা? কী হয়েছিল?’

বলতে আমার বাঁধে না সামান্যও
আমি একটুও ক্লান্ত হই না।
অবিরাম বলে যাই,
একজন খলিলুর রহমানের কথা
একজন মস্ত যোদ্ধার কথা।
উর্দিবিহীন মেজর তিনি
দুনিয়ার সবচেয়ে চৌকষ সৈনিক তিনি।

আমি মাথা ঝাকিয়ে বলি
গলায় বিস্তর রণ এনে বলি,
ছোট করে ছাঁটা চুলের দীর্ঘ মানুষটি
ছ’ফুট লম্বা সবল দেহটি
ছিল হানাদারের ভয়ংকর দুস্বপ্নের নাম।

কত পাকসেনা প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলেছে
ঐ মেজর খলিল আসছে শুনে।
মেয়ে আমার পলকে হেসে উঠে
আবার গম্ভীর হয়ে যায়,
‘এত সাহস ছিল আংকেলের?’
মারে,
সাহসের যে সৌভাগ্য আংকেল তাকে নিয়েছেন।

কী দিনে, কী রাতের অন্ধকারে
বাখুন্ডা ব্রিজ উড়িয়ে দিতে হবে,
রাজৈরে হানাদারের আস্তানা গুড়িয়ে দিতে হবে,
টেকেরহাট ফেরিতে ওদের ঠেকিয়ে রাখতে হবে।

মেজর খলিল দুর্দান্ত সেখানে
ছোট্ট শহরের অতি বড় মানুষটি
আকাশের সমান।
বাবা-মেয়ে নিভৃতে স্মরণ করি তাকে
পরম শ্রদ্ধায়, পরম ভক্তিতে।


০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।


slot gacor 2026 slot gacor situs slot gacor 2026