সোনালী আঁশের রাজ্যে
- মোঃ ফয়সাল খান
কতশত বার তোমার বুকে পদচিহ্ন -
এঁকে চলিয়াছি,
তাহার সীমা নাহি খুজিয়াছি;
তোমার এ কাঁজল বুকের স্পূটিত শাপলা -
কত যে তুলিয়াছি;
তাহারই ছবি শুধু ভাসে,
হে মোর রংতুলিতে অঙ্কিত প্রিয় জন্মভূমি;
যেথায় সুবিস্তিত পদ্মবিল, রাজহংসের দলের -
পদধ্বনি -কলকলানি-ছলাৎছলাৎ;
হাজারো বছরের পদধূলিতে মুখোরিত চিরহরিৎ পথ।
হে মোর রংতুলিতে অঙ্কিত প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি।
তোমার ঐ মুখখানা-
চির রুপসী বাংলার প্রতিচ্ছবি,
তাহাতে মুগ্ন নয়নে ছন্দ রচিয়াছে কত যে কবি;
তোমাতেই শুধু মানায় “নকশী কাঁথার মাঠ,”
তোমারী রুপলাগী বিমহিত কবি-
রচিয়াছে “সুজন বাদিয়ার ঘাট”।
গ্রামীণ জীবন নদী তীরে দাড়ীয়ে
কোনো এক ভোর-বিকালে
বিমুগ্ধ নয়ন চাহনী নবীন পল্লবে।
পাবে কি খুজে কোথাও পৃথিবীর কোনোখানে
রুপাই কিংবা আসমানীরে?
তোমার রুপের নাহি আছে সীমা,
হে চিরহরিৎ,চির যৌবনা রুপধারী।
পিপাসিত পথচারী হেটে চলে-
তোমারী মায়াবী কাঁজল বুকধরী।
বহে চলে পদ্মা, তাহার বুকে পালতোলা নৌকা
স্বপ্ন ছুইছুই, ছুটে চলে নিরবধি;
জেলেরা ইলিশের নেশায় -
পাড়ি জমায় মাঝনদী অবধি;
মাঝি পালতুলে চলে নিরবধি।
হে মোর জন্মভূমি -
তোমার এ রুপ-পদ্মার যৌবন দানিয়াছে বিধি।
মধুমতি, কুমারের তীরে আসিয়াছে ভীড়ে
শহর ও জনপদ;
তাদেরী কাঁজল বুকে বিন্দুবিন্দু স্নেহের পরশ
মধুরুপী নীরে।
হে মোর মাতৃভূমি।
স্নেহের পরশে সতেজ এ মনপ্রাণ -আঁখি
করিলা স্নিগ্ধ তুমি;
সোনালী আঁশের স্বর্গভূমি,স্বপ্নের দল ভাসে,
এসো ভাই নিমন্ত্রণ তোমায়,
যেথায় কৃষকের প্রাণ হাসে।
হে মোর প্রাণপ্রিয় মাতৃভূমি-
তোমারী প্রকৃতির সৌরভ-মৃদু ঘ্রাণ
স্নিগ্ধতার ছোয়া বিলিয়ে দেয়-
দখিনা হাওয়ার পরশে।
আজি এ অনুভূতির মহা উল্লাস জাগে-
মন আঙিনায় মহা উচ্ছাসে।
০৫-০২-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।