নিশি-ছোয়া
- অনুপ কুমার বিশ্বজিৎ
রাত্রির নিস্তব্ধ প্রবাহে,
দু’টি দেহের সেতার বাজে অদৃশ্য সুরে।
স্পর্শের স্রোতবাহিনী বয়ে যায়,
উল্লাসের অচেনা নদীতটে।
কামনার উষ্ণ আলিঙ্গন,
তৃষ্ণার্ত চুম্বনে মিলেমিশে যায় নিশ্বাস।
দু’টি প্রাণ একাকার হয়,
অবিরাম খেলা জাগায় দেহের তন্দ্রা।
উন্মাদনার দহন ছুঁয়ে যায় অঙ্গপ্রত্যঙ্গ,
রক্তে জ্বলে ওঠে আনন্দের অগ্নি।
ভালোবাসার এই গোপন মহাযজ্ঞে
দু’টি দেহ হয়ে ওঠে পূর্ণতার প্রতীক।
ঠোঁটের সংঘর্ষে জ্বলে ওঠে লালসার আগুন,
স্তন, কোমর, উরু—লিখি কামনার অক্ষর।
চাপা শ্বাসে মিলেমিশে যায় দীর্ঘশ্বাস,
বিছানা কেঁপে ওঠে সময়ের ছন্দে।
ভিজে অন্ধকারে হারায় সীমারেখা,
দু’টি দেহ একে অপরের ছায়ায় মিলিত হয়।
শেষে যখন ঝরে পড়ে উচ্ছ্বাসের ঝর্ণা,
রক্তে মিশে থাকে পরিতৃপ্তির সুধা।
প্রেম না হয়তো, শুধু দেহের উল্লাস,
তবু মুহূর্তটি—হল পূর্ণতার দেবদাসী।
রাত্রি সাক্ষী, চাঁদ প্রভাতের স্নিগ্ধ আলো,
দু’টি প্রাণে বয়ে যায় গোপন কামনার স্রোত।
০৬-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।