জ্যোৎস্নার অভিমান
- অনুপ কুমার বিশ্বজিৎ

রুপালি আলোর মায়াবী সন্ধ্যায়,
চন্দ্রিমার নীরব জ্যোৎস্নাধারায়,
ঝলমলে আভায় ভেসে যায় মন,
অলৌকিক স্বপ্নে জাগে গোপন ক্ষণ।

শুভ্র কিরণে ধরা দেয় মোহ,
তারার স্রোতে জাগে অন্তরের দোহ,
শীতল আলো ছড়িয়ে দেয় ছায়া,
ভালোবাসা বুনে যায় অন্তহীন মায়া।

জ্যোৎস্না-ভেজা রুপালি রাতে,
তোমার চোখের দীপ্তি ছুঁয়ে যায় বাতাসে।
চন্দ্রিমার আলোয় শরীর কাঁপে,
আকাঙ্ক্ষা জেগে ওঠে ছায়ার কাছে।

শুভ্র আলোর পরশে জড়িয়ে ধরি,
তোমার নিশ্বাসে জ্বলে লালসার ধারা।
রাতের নিস্তব্ধতা গলে যায় উষ্ণতায়,
আমরা দু’জন ভেসে যাই কামনার সমুদ্রছায়ায়।

কিন্তু রুপালি রাতের অন্য প্রহরে,
চন্দ্রালোক ফিসফিসিয়ে বলে— তুমি নেই আমার পাশে।
তারারাও যেন অভিমানী সঙ্গী হয়,
তোমার অভাবেই আকাশ অশ্রু ঝরায়।

শুভ্র কিরণ ছুঁয়ে যায় দেহ,
জাগায় তোমার নীরব স্পর্শের দাহ।
জ্যোৎস্না-ভেজা একাকী এই রাত,
শুধু স্মৃতিই রাখে প্রহর জাগ্রত।


০৭-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।