নৈরীর নীরবতা
- অনুপ কুমার বিশ্বজিৎ

নৈরী, তুমি অচেনা এক দীপ,
চোখের নীল জ্যোৎস্নায় ভাসে তোমার ছায়া।
আমি—শুধু তোমারই,
হৃদয়-নদীতে ভেসে যাই তোমার নামের ঢেউয়ে,
প্রিয়তমা, যেখানে সময়ও থমকে যায়।

রাতের নীরবতায় বাজে তোমার হাসির সুর,
ফুলও লাজুক, বাতাসে ভেসে আসে কোমল স্রোত।
চুলের মলিন ছায়ায় মিলিয়ে চাঁদের কোমল আলো,
তোমার রূপ যেন একান্ত বাগানের নিঃশ্বাস,
যেখানে ধুলো-পরা দুঃখও প্রশান্তি খুঁজে পায়।

তোমার অদৃশ্য স্পর্শে জাগে আমার কামনা,
অন্তর পুড়ে যায় অমর ভালোবাসার অগ্নিতে।
অভিমানও হেসে মিলিয়ে যায় তোমার কোমল মৃদু ছোঁয়ায়,
যেন নদী হারায় তার প্রতিফলন চাঁদের আলোয়।

আমি হারাই নিজেকে তোমার চোখের গভীরে,
প্রিয়তমা, তোমার নামের ঢেউয়ে ভেসে যায় সব নিঃশ্বাস।
চাঁদ-মেঘের নীরব আলোয় মিলিয়ে যায় আমার আত্মা,
নৈরী, তুমি সেই স্বপ্ন, সেই নিঃশব্দ গান,
যেখানে মান, অভিমান, কামনা, ভালোবাসা—
সব মিলিয়ে যায় এক চিরন্তন দীপের আলোয়।

তুমি দূরে গেলে অন্তর কেঁপে ওঠে,
আমি বোনা বুনে রাখি তোমার ছায়া হৃদয়ের নিভৃতে।
নৈরী, তুমি শুধু সৌন্দর্য নয়,
তুমি সেই শান্তি, সেই অমর দীপ,
যেখানে স্বপ্ন, কামনা, ভালোবাসা ও নীরবতা একসাথে গান গায়।

প্রিয়তমা, তোমার সঙ্গে আমার প্রতিটি নিশ্বাস,
প্রতিটি ছায়া, প্রতিটি স্রোত—
সব মিলিয়ে যায় এক চিরন্তন অমর প্রেমের আলোয়,
যা কখনো মিলিয়ে যাবে না,
যা চিরকাল কেবল আমাদের।

নৈরী, তুমি সেই অচেনা দীপ,
যেখানে নীরবতা, কামনা, অভিমান, ভালোবাসা—
সব একসাথে বয়ে যায় এক চিরন্তন নদীর মতো,
যা সময়ের স্রোতেও হারায় না,
যা হৃদয়ের গভীরে চিরকাল জ্বলে।


১০-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।