বিষখালীর আহ্বান
- অনুপ কুমার বিশ্বজিৎ
বিষখালীর অববাহিকায় জীবনের
প্রত্যাশার আহুতি দিলাম —
জানো, তোমায় স্পর্শ করে অগভীর জলরাশি।
সেথায় প্রাপ্তির কি ছিলো আমার,
অন্বেষণ করি তুর্কির বালিময় সমুদ্রে।
লো, ধুলোর গীত শুনি পা পেতে পা পেতে,
নীরবতার পদ্মে তোমার নাম লেখি।
চোখে আঁকা হৃদয়ের নৌকাটা টালাল ঢেউ —
প্রতিটি ভাঁজে ভেসে ওঠে তবু অজানা আশা।
পাথরের মতো ঠান্ডা বিকাল নেমে এল —
তবু রোদ্দুরের এক টুকরো উষ্ণতা বয়ে আনে তোমার হাসি।
পাখিরা পথভ্রষ্ট হলে ফিরে আসে বালির চারায়,
আমার অনিশ্চিত প্রেমও সেখানেই ফিরে আসে — ফিরে বসে।
তুমি না এলেও, তরঙ্গের গলাবলিতে নাম লেখি,
প্রতীক্ষার কাঁকড়া কাব্যে বাঁধি বানী।
কখনো ঝড়, কখনো ধূলিকণা — এই মাঝির মন,
তবু খোঁজে তোমাকে, খোঁজে সেই অগভীর স্পর্শকে।
বিষখালীর মুখে রাত হলে তারা জ্বলে ওঠে,
তাদের কণার মাঝে তোমার মুখের ছায়া ভেসে আসে।
আমি বলি — যদি সমুদ্রে সব বালিই ছড়িয়ে যায়,
তবু একটুকুই থাকুক, তবু তবই হবে আমার পাওয়া।
আবার দেখা হলে আঁকব তোমার নাম আঁচলে,
অগভীর জলের কণায় গোপন করে রাখব স্বপ্নগুলো।
ঘুম কাঁধে ভর দিয়ে বলি — যাই হোক না কেন,
এই ধারার কণ্ঠে আমার প্রেমের নীরব আহ্বান থাকবে।
১৪-০৯-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।