নদীর মতো নারী
- অনুপ কুমার বিশ্বজিৎ

সে যেন নদী — বহমান অথচ সীমা জানে, তটের ভেতরেই সে খুঁজে নেয় বিস্তার। তার রূপে সূর্য ওঠে, কিন্তু জ্বলে না, চাঁদের মতোই সে আলো দেয় — অথচ দাবি করে না কোনো ধার।

তার চোখে দিগন্ত, অথচ স্থিরতায় পাহাড়ের ধ্যান, তার হাসি বসন্তের মতো — আসে, ছুঁয়ে যায়, রেখে যায় প্রাণ। সে জানে সৌন্দর্য মানে নয় মুখের রেখা, বরং মন যে আয়না — সেখানে প্রতিফলনই সত্যের দেখা।

তার আদর্শ যেন অশোক গাছের ছায়া — ঝড় এলেও মাথা নোয়ায় না, অভিমান এলে ঝরায় না ফুল, শুধু আরও সবুজ হয়ে ওঠে অন্তরটা।

সে ভালোবাসে, কিন্তু বাঁধে না কারো পা, তার ভালোবাসা নদীর মতো — মুক্ত, অথচ গভীরতা পায় পাহাড় ছুঁয়ে। সে জানে — রূপ ক্ষণিক, চরিত্র চিরন্তন, আর আদর্শ? — সেটাই তার অন্তরের রাজমুকুট, যা সে কারো দেখানোর জন্য পরে না, নিজেকে চিনিয়ে রাখার জন্য পরে।


১৮-১০-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।

১৮-১০-২০২৫ ২৩:৪২ মিঃ

সুন্দর সুনিপুণ কাব্য