“অপ্রাপ্যের চূড়া”
- অনুপ কুমার বিশ্বজিৎ

আমি বহুবার উঠেছি হৃদয়ের পাহাড়ে —
ভালোবাসা নামের মেঘের স্পর্শ পেতে,
কিন্তু প্রতিবারই হোঁচট খেয়েছি নিজেরই ছায়ায়।

দেখেছি, তোমার চোখে আলো ঝরে রোদের মতো,
আর আমার চোখে — কেবল সন্ধ্যার শেষ নীল।
তুমি যেখানে আকাশ, আমি সেখানে ধুলোর নীচের বিন্দু,
তবু প্রতিবারই চেয়েছি ছুঁতে — শুধু প্রার্থনার মতো।

আমি বুঝেছি অবশেষে,
ভালোবাসা কোনো নদী নয়, যে সবার ঘাটে নামে —
এ এক দুর্লভ সাগর,
যেখানে ভেসে থাকতে হলে নিজের ভার ত্যাগ করতে হয়।

তুমি তাই সরে গেলে নীরবে,
যেন বাতাস জানে কোন ডালে ফুল টেকে না।
আর আমি, অচল বৃক্ষের মতো
তোমার অনুপস্থিতি বহন করে আছি নিঃশব্দ মহিমায়।

কারণ আমি জানি—
ভালোবাসা আমার সাধ্যের বাইরে,
তোমার প্রত্যাখানে আমি পেয়েছি এক ধরনের
নীরব আত্মসমর্পণ —
যেন হেরে গিয়েও শান্তি খুঁজে পাওয়া,
অপ্রাপ্তির মধ্যেও এক পূর্ণতার স্পর্শ।

আর সবশেষে বুঝেছি—
তোমার দূরত্ব কোনো নিষ্ঠুরতা নয়,
বরং শুধু আকাশের মৃদু বুদ্ধিমত্তা,
যে জানে— কিছু ভালোবাসা দূরত্বেই পূর্ণ হয়।


২৫-১০-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।