নভেম্বরের এক রজনী
- অনুপ কুমার বিশ্বজিৎ
নভেম্বরের নিশে চাঁদটা হিমশীতল, বাতাসে যেন কাঁটার মতো সুর,
তুমি এসে দাঁড়ালে — আমার নরম রাতটা হারায় তার মধুর নুর।
তোমার ওষ্ঠচাপে চুরমার হয়ে যাবার কথা মনে করি বারবার,
হাসির আড়ালে লুকানো আগুন জ্বলে, নিঃশ্বাসে লাগে অচেনা দীর্ঘতার ঘ্রাণ ভার।
তুমি যদি কেবল একবার ছুঁয়ে যাও, মুখে মধুচ্ছটা রেখে চুপকে,
মনের সব দরজায় ঝড় উঠবে — সিঁড়ি ভেঙে পড়বে শূন্যে, ধূসর আলোয় কাঁপবে প্রতিটি রূপকে।
আমার রক্তের গোলকধাঁধায় বাজবে তোমার ঠোঁটের সুরের রং,
চোখে জমে থাকা তুষারের কণাকে তুমি করে দেবে গলিত ঢঙ।
নভেম্বরের ছায়ায় আমরা দুজন — আঙ্গিকে শীত, হাতে এক অচেনা ছোঁয়া,
তোমার ওষ্ঠচাপে আমি ভেঙে পড়ি, আবার গঠিত হই — মিশে যায় কষ্ট আর আশার ধারা।
তুমি যদি হাসো, রাতটাই বেনামে হয়ে যায় কবিতায়; যদি চুমু দাও — আমি হারাই নাম,
তোমার ওষ্ঠচাপে চুরমার হওয়া — সেটা যেন আমার সবচেয়ে মিষ্টি অপরাধ, নীরব কামনা আর গোপন আহ্বান।
সৌরভে ভরা সে মিনিটগুলো — কাঁধে চেয়ে থাকা চাঁদের আল্পনা,
নভেম্বরের এক রাতেই আমি তোমার, টুকরো টুকরো হয়ে, আবার তোমারই বুকে গাঁথা।
যদি তুমি জানো না — বলি, জানিয়ে রাখি মনের সেই গোপন কথা,
তোমার চুমুতে হারিয়ে যাওয়া আমার স্বপ্ন; সেই রাতে আমি স্বেচ্ছায় তোমারই বিভোরতা।
০৬-১১-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।