পুলিন
- আদনান খান

নির্জীব পুলিন থেকে চেয়ে থাকি অদূরের অরণ্য পাণে-
তোমার নব কিশলয়ের মত নিঁখুত মসৃণ মুখ–
বর্তিকা হয়ে প্রবেশ করো তুমি ঘূর্ণীর মত,নিবিড় বিপিনে।
কেড়ে নাও পুলিনবাসীর আশাময়ী সেরেফ সুখ।
ঐ চোখ যেন ছিল মদিরার মত নেশার,
স্বচ্ছ নীলনদের সঙ্গে বাকি আছে মেশার—-
তোমার ক্লান্ত নৃত্যরত আকাঙ্খিত আকর্ষণী বুক।
যেখানে আমি ঘুমাবার আশা করেছি কতদিন
এরপর খুজে খুজে পৌছেছি এসে নির্জিব পুলিন।

তবু হয়নি কো দেখা আজো একবার,
শুধু দেখেছি শরীরটুকু,
আর দেখেছি হয়ত খুব তপস্যা করে তোমার গালদুটি,
সেটা হলো,চর্চায় রাখা অংকগুলোর মত–
যত প্রতিকূলে থাক,যত জটিল হোক,ছুয়ে দেখতে ইচ্ছে করে।
তবু কোন চুম্বকের সঙ্গে গহীন অরণ্যে হলে লীন?
আমি অশ্রুচোখে দাঁড়িয়ে,গ্রাস করে বিরান পুলিন।

বড়ই হিংসে হলো বৃক্ষের পাতাগুলির প্রতি
আমিই ছুতে পেলাম না তোমায় একরতি-
চুম্বকের সঙ্গে যখন গহীন অরণ্যে ঘূর্ণির সাথে
ঢুকছিলে সবেগে তুমি না তাকিয়ে এদিকে
আজি এই সন্ধ্যায় জলের শব্দের সাথে ঢেউয়ের মত,
কত পাতা তোমাকে ছুয়েছিল,যত বৃক্ষের পাতা যত।
কোথায় বনের হরিণী গুলো বলতে পারো?
কোথায় সরু গলার জিরাফ?নীলগাই?
তারা কী পাতাগুলো নিঃশেষ করে দিতে পারে নাই?
আলবাত পারে! আহ্বানে বাজালেম নদীর ছলাৎ জলের বীণ-
বিভূতির মত ভষ্মে দিল,হিংসুটে সুদীর্ঘ পুলিন।


০৬-০৪-২০২৬
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।