শিপন আলম
নব্বই এর দশকে স্রষ্টা কর্তৃক ধরাধামে আবির্ভাবের পর দুরন্ত পদ্মার পাড়ে কাদামাটি নিয়ে খেলতে খেলতে বেড়ে উঠেছি আমি। রাজবাড়ী জেলার পাংশা থানার সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে পূর্ণ ঐতিহ্যবাহী হাবাসপুর গ্রামের স্বর্গীয় সৌন্দর্য দেখতে দেখতে প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা পাঠ সমাপ্ত করেছি। ছাত্রজীবনে ফলাফল আমার বরাবরই ভালো ছিলো। প্রাথমিকে ক্লাসের দ্বিতীয় ছাত্র হলেও সিক্স থেকে টেন পর্যন্ত বলতে গেলে ক্লাসের অপ্রতিদ্বন্দ্বী প্রথম ছিলাম। নিয়মিত অধ্যবসায়ের ফলে ক্লাস এইটে মেধা বৃত্তি লাভ করি। এসএসসি- তে এ+ অর্জন করি। আমার প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিলো ৭১ নং পশ্চিমপাড়া রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়। পরে সেটি আমাদের বাড়িঘরের সাথেই পদ্মায় বিলীন হয়েছে। এখন সেটি সরকারি হয়ে আমাদের বর্তমান পাড়াতেই স্থান করে নিয়েছে। আমার হাই স্কুলের নাম শতবর্ষী হাবাসপুর কে. রাজ উচ্চ বিদ্যালয়। হাই স্কুলের লেখাপড়া শেষ করে পাংশার সাবেক স্টেশন মাস্টার মরহুম রমজান আলী মণ্ডলের সহযোগিতায় ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত এফ এম ইন্টারন্যাশনাল কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে ভরতি হই এবং সেখান থেকে ২০০৮ সনে গোল্ডেন এ+ পেয়ে সেই বছরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগে ভরতি হই। ২০১২ সনে বিবিএ ও ২০১৩ সনে এমবিএ সমাপ্ত করে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলে অবস্থানকালে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভারসিটিতে লেকচারার হিসেবে যোগদান করি। সেখানে প্রায় দুই বছরকাল চাকুরী করে ২০১৬ সালে ৩৪তম বিসিএস এর মাধ্যমে নিজ জেলায় অবস্থিত রাজবাড়ী সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি। সেখানে ৬ বছরকাল অতিবাহিত করে বর্তমানে সরকারি সা'দত কলেজ, করোটিয়া, টাঙ্গাইলে অবস্থান করছি।
লেখালেখির হাতেখড়ি স্কুল জীবন থেকেই। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনকালে হাই স্কুল থেকে প্রকাশিত বার্ষিক 'সঙ্গীতা' ম্যাগাজিনে নিয়মিত লেখা দিতাম। পরবর্তীতে বিসিএস প্রস্তুতির দরুন সময়ের অভাবে লেখালেখিতে ভাটা পড়ে। ২০১৯ সাল থেকে লেখালেখিতে আবার মনোযোগ দেই। ছোটগল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, জীবনী, কলাম লেখা ভালো লাগে। 'রাজবাড়ী বারতা' অনলাইন পত্রিকায় নিয়মিত লিখি। আমার এলাকার প্রথিতযশা মনীষী ড. কাজী মোতাহার হোসেনকে নিয়ে 'একজন আত্মভোলা দাবাড়ু- ড. কাজী মোতাহার হোসেন' শীর্ষক একটি বই প্রকাশের চিন্তা আছে আগামী বইমেলায়। চাইলে ছোটগল্প বা কবিতার বই প্রকাশ করতে পারি। কিন্তু আমার আগ্রহ এই মনীষীকে নিয়ে আগে বই প্রকাশ করা। ব্যক্তিজীবনে দুই পুত্র সন্তানের জনক আমি। সবার দোয়া প্রত্যাশী।
আজ পর্যন্ত এই ওয়েবসাইটে শিপন আলম ৫৬টি কবিতা প্রকাশ করেছেন।
আজ পর্যন্ত এই ওয়েবসাইটে শিপন আলম ৫৬টি কবিতা প্রকাশ করেছেন।
