দুরন্ত পথিক
- মুহম্মদ কবীর সরকার(Mahdi Kaabir)
উদ্গত করিয়া শির, যাইতেছে তরুণ বীর
জয়ের বীণার সুর, যাইতেছে বহু দূর।
লক্ষ তাহার উদ্বৃত্ত সেই নীড়।
পদেপদে বিভীষিকা, তথাপি ও
পিপীলিকা
মৃত্তিকা খুঁড়ে অট্টালিকা,
করিতেছে জীবিকা।
উঁচু করিয়া বিদ্রোহী শির।
জীবম্মৃত হয়ে, বিভীষিকার ভয়ে
দিন যে যায় বয়ে, ঘরের কোণে লয়ে।
শত ভীরুকের দল।
জল মুছে চল,মুক্তির পথে চল
বসিয়া রব না ধরিয়া মায়ের আচল
পাড়ি দিতে হবে তোকে দিন বদল
এই সেই নদী, থাকে উত্তাল অবদি
পাড়ি দিতে হইবে জলদি, উত্তাল
সেই নদী।
পিলপিল করিয়া খাটিয়া চলিতেছে
পিপিলিকা।
নদী কহে ভাই, তোদের কি ভয় নাই
কত কেউ মরিয়াছে নেই তাহার শেষ
তথাপি বাঁচিতে চাও চলিয়া যাও
বেশ।
ছাড়িয়া এই হাল।
পিঁপড়ে কহে,
বন্ধুর পথের যাত্রী মোরা মুক্তির
পথের যাত্রী
বিভীষিকাময় পথে চলিবো মোরা
লড়িবো দিবারাত্রি।
যদি হয় মৃত্যু,,
থেকে মৃত্যুর পথে, অসি হাতে
আমরা আছি রাজী সেই মৃত্যুতে।
করুণ সুর বাজিয়ে, খেয়াটাকে
সাজিয়ে
চলিতেছে মুক্তির দল সাগর অতল
পাড়ি দিব সেই দিনবদল
দুর্ঘম পথে অগ্নেয়গিরির সাথে হল
আবার দেখা,
চলিতেছে পিলপিল পায়ে
দুরন্ত পথিক একা।
অগ্নিয়গিরি কহে,
কোথা যাইতেছ তুমি, অনলে ভরপুর
আমি
আমার অনলে হইবে তুমি দগ্ধ
হা হা করিয়া জ্বলিতেছে আমার
বায়ুসখা
মৃত্যু বুজি তোমার আমার কপালে
আছে লিখা,
পিঁপড়ে কহে,
জন্মেছি যবে, মরিতে হইবে
এটাই চিরন্তন সত্য,
প্রস্তুত আমি মরিতে,তোমায় পাড়ি
দিতে
নাচিবো মরণ নিত্য।
চাহিয়া দেখ পিছুন পানে
আসিতেছে অনেক দল
কতজনকে পুড়াইবে তোমার
বিভীষিকাময় অনল।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।