উত্তর
- আরিফুল হক - অপ্রকাশিত
ঘনঘোর মেঘের দেশে উড়ে দেখেছো কখনো?
অথবা ছমছমে শ্মশানের কাঠ কয়লার ঘুর্নি!
ঝড়ো বাতাসে কেমন উৎকীর্ণ হয়ে নাচে বিধবার বুকের আঁচল- ..................দেখেছো? দেখছো তো জানিই!
-একচোখা ঋষির মত!-
বর দেয়া যার হয়নি কোনদিন- শুধু অভিশাপের উচ্চাঙ্গ ঢং!
কালিদাসের সাথে বড়াই করে বিরহ ফলার চেটেপুটে
খেয়ে উঠতে গিয়েই ভুল ভেঙ্গে পড়ে যে রইলাম!
আমার পড়া হয়নি "উত্তরমেঘ"! আমার সাধের রামগিরি!
নির্বাসনের রঙ দেখেছো তুমি!
অথবা অভিশাপের সাথে নির্বাসনের মিশেল! কিংবা প্রত্যাখ্যানের
বিষের ভেতর অমৃতের হাতছানি, কখনো কি ভেবে দেখেছো
মানুষ কখন অমর হয়ে যায়?
দুর্বিনীত হতচ্ছাড়া ক্ষনের এক ঝলকের বোঝা সারা জীবন টেনে
নেয়ার সুখ যে কি! আমারে পেয়ালায় আজ অমৃত!
বার্চ গাছের কথা বেশি মনে পড়ে!
গায়ে নিয়ে সে বেড়ায় চমৎকার দাহ্য ছাল!
আমার গায়েও "মুখ ফিরিয়ে নেয়া" জ্বলে জ্বলে ওঠে!
আমিও পুড়ে কয়লা! শ্মশানের ঘি ভর্তি টিন ফুরিয়ে যাবে!
পোড়াবে কত আর! এ বড় কঠিন শব!
কোন এক কাপালিক-এর শব সাধনার ফসল!
আমার করোটির ছাল হয়েছিলো ছড়ানো
ভেতরের মগজ ফুটিয়ে করা হয়েছিলো দ্রাক্ষারসের মত মদিরা! সেই কাপালিক এখন পাগল! তাঁর সাধনা বিফলে গেলো!
তুমি চাইলেই কিন্তু দিতে পারো রায়!
পেনালকোডের রীতিনীতির তোয়াক্কা না করেই!
এসো ঝুলিয়ে দাও আমায়! যমটুপির বালাই রেখোনা!
চাইলেই করতে পারো একলক্ষ বেত্রাঘাত!
চাইলেই ঘোড়ায় জুড়ে ছেঁচড়ে নিতে পারো দুইশত মাইল...
স্বাতী, নয়ত একটু অন্যভাবে চাও-
তুমি চাইলেই দেখতে পারো আমার ভেতরটা... শ্মশানের মত,
সাথে পুরনো পাকুরের মত ঝাপড়া ছাওয়া ধ্যান!
চিতার আগুনের মত লকলকে কামনা! মৃতদেহের না পোড়া অংশের মত দ্গদগে আশা!
আর... ছাই? -হ্যা, ছাই এর মত-
বাতাসের ভেসে বেড়ানো শুষ্ক ভালবাসা!
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।