"পারছিনা আর; এ কেমন পাপে জন্ম!"
- আরিফুল হক - অপ্রকাশিত
কোন পাপে আমি হয়েছি এমন, আমার সহ্য বেড়ার-
বাঁশে ঘুনপোকাদের গান, কোন কারনে আমার চোখের
মাঝে দূর গগনের তারা,আমার মুক্তি নেই,আমার যেন
মুক্তি থাকতে নেই, ভেতরমহল পূর্ন যে হয় বারমুখো সব
আবেগে, সবেগে উর্ধমুখি! নীলাম্বরী আঁচের গনগনে কি
কথামালা, আজ বেগের কথা বলি, আজ ইচ্ছ করে সব
ছাপিয়ে,নদীর জলে ডুব সাঁতারে শুশুক সেজে থাকি,
আমি মানুষ হলাম কেন? জন্মানোর এই ব্যথা সহ্য হয়না
আর,পাশাপাশি বসতকরা সাপের সাথে একটা হাসনুহেনা
গাছ, গন্ধে মাতাল, সাথে বিষের বাড়াবাড়ি,----হইনি কেন?
আস্তাবলের মৃত ঘোড়া, লাগামছাড়া পবনমাঝি,
এ হয়েও তো থাকাই যেত,এমন কিই বা হোতো,
এমন কিই বা করছি!
এই জন্মের দায় কাঁধে নিয়ে আর কতদূর গেলে-
শান্ত দিঘী, খোলা প্রান্তর, ভেজা বাতাসে চোখ
বোজানো আরাম,কানের ভেতর সব ছাপিয়ে,
গভীর ঘুঘুর ডাক, আচ্ছা! ------বলতে পারো?
কেউ কি আছে বলবে; আজ তোমার এই জন্ম ভুলে যাও,
আজকে তুমি মৃত্যু হাতে পূন্যস্নানে যাও, মৃত্যু গিলে খাও;
সকাল থেকে সান্ধ্যলয়ে কিসের বার্তালাপ? আজ দেবালয়-
গুলো রংচঙে সব পুরোহিতদের পাপের বোঝা! সে মৃত!
দেবদাসীরা সব ঋতুমতী, দেবতাদের ভোগ,পুরোহিতের
-বুকের ভেতর লিকলিকে সব কল্পনা, আঁকে বাস্তুতন্ত্রের আলপনা,
আমি এমন হলেও হতো,কোন পূন্যে এ আমি হইনি পুরোহিত!
কোন সফলতায় আমার এমন পুরষ্কার!
চাইনা এসব,নাও ফিরিয়ে;
আমার কল্পকথা,আমার ভ্রান্ত স্বপন,
আমার নিঃস্ব মাঠ; দুর্বাঘাসে আলতো-
করে ফড়ফড়ানো ফড়িং,দাও ফিরিয়ে;
আমার হঠাত দেখা চোখের মাঝে নতুন
-সর্বনাশ! দাও ফিরিয়ে!
নাহয়, ক্ষন বলে দাও, কখন যাবো,
এই পাপের জন্ম বইবো না আর, এ শুভংকরী ফাঁকি!
এ ছেলে ভুলানো যাত্রাদলের সঙ; এ নর্তকীদের দুলছে
-কোমর-ঘাগড়া ঝুলের ঢঙ; ক্ষমা করো, ক্ষান্ত দিও,
এ শক্তিশেলের ত্বরন নিতে,পারছি না আর! ভীষণ ব্যথা!
--------------------------------দয়া কর!
জন্ম আমার নাও ফিরিয়ে,আমি আর থাকতে চাইনা মানুষ,
রক্ষা কর,আমায় বাষ্প করে দাও,আমি মেঘের সাথে যাই,
নইলে আমায় ইচ্ছে মরন দাও,আমিই নিজের মত গুছিয়ে
নিয়ে, সকল কথা ফুরিয়ে দিয়ে,এই পাপের জন্মের আগল-খুলে,
দরজা খোলা ঘর পেরিয়ে, সময়বুঝে, আমার দৃষ্টিটা বুজাই,!
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।