সমস্ত শরীরে মৃত্যুক্ষুধা
- মিলন সব্যসাচী
এই জ্যোৎস্না স্নাত রাতে জানালার শার্সী ছুঁয়ে
বিবসনা বাতাসের লুকোচুরি। উষ্ণ উন্মাদনা—
বুকে ধরে তুমি ক্রমে মোমের মতন গলে পড়ো—
উরুস্পর্শী লতাগুল্ম লোকলাজে রাঙা চার চোখে
স্বপ্নমুগ্ধ কানাকানি। আদিম আগুন হয়ে গেলো
প্রত্যাশিত বিনিময়—যেন সমস্ত শরীরে মৃত্যুক্ষুধা।
স্বর্গের মর্ত্যরে একবিন্দু ব্যবধান সনাতন—
শর্তে মৌমের নির্ঝর। মৃত্যুর মঞ্জরি শোনা যায়
অপার্থিব স্বর্গসুধা সঞ্চিত তোমার মৌনগীতে।
কত জন্ম—জন্মান্তর নিমিশে ফুরায় নগ্ননদে
শয্যামুখি সৌন্দর্যে্যর ক্লান্তি মুছে দিয়ে ক্রমাগত
নীলারুণ প্রহরের কামার্ত মাধুরী ঝরে পড়ে।
ঘৃণ্য—সংক্রামক ব্যাধি গাঢ় প্রসাধনে ঢেকে দিয়ে
বশীকরণের মন্ত্রে জীবন জলধি উবে যায়—
মহাশূন্যে। অন্ধকারে অন্ধ আদিমতা জেগে থাকে
উচ্ছ্বাসিত অভিসারে পৃথ্বীর পৃথুল কোল জুড়ে
অবিরল নবাগত নবজাতকের বোবা—কান্না
অলীক স্বর্গের দ্বারে হানা দিতে পারে বারেবারে।
২৭-০৬-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।