জলের সারোদ
- মিলন সব্যসাচী

তৃষার আগুনে পুড়ে বিবসনা বাসনার নাও
জলের সারোদে সুর সেধে তুমি কামগীতি গাও
নাগিণী নদীর তীরে আমি একা খুঁজে ফিরি কাকে
মনের আকাশে সেই অস্তগামী সূর্য জেগে থাকে।

নিরবধি পথভ্রষ্ট নদী বহো নীল অভিসারে
বাতাসের আয়ু খেয়ে বেঁচে থাকো কোন অধিকারে
ধূলিঝড়ে শুধু ওড়ে হৃদয়ের রিক্ত হাহাকার
মৃত্যুমুখি জীবনের প্রতীক্ষার খেয়া পারাপার।

কোমল পাড়াড়ে সুপ্ত শিহরণ জাগলে আহারে
নীলালোক জ্বলে ওঠে অন্তরঙ্গ আগুন্তুক আঁধারে
দিবালকেই তুমি ঘৃণ্য পরিত্যক্ত খুব দামি রাতে
কত সোহাগী আদর সোভা পায়— কামরাঙা হাতে।

আমি বিষাদে ঘুমিয়ে পড়ি শুধু তোমাকে জাগাতে
শত ব্যস্ততার ভিড়ে পারোনিতো এ পথে আগাতে
এই আমার আকাশে অভিমানে চাঁদও ওঠেনি
বিষণœ বসন্তে আজো আশাবৃক্ষে স্বপ্নকুঁড়ি ফোটেনি।

বিষবাহী বিরহের লবণাক্ত জ্বিভ চেটে পুটে
নিসিদ্ধ ফাগুনে তুমি ফুল হয়ে আছো ফুটে
ঘুমাচ্ছন্ন পৃথিবীর যত ক্ষত রোগীর মতন
রাতের জলসা ঘরে করে শুধু তোমায় যতন।


২৯-০৬-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।