বর্ষণ মূখর দুঃখ—স্মৃতি
- মিলন সব্যসাচী

রতিক্লান্ত হরিণীর উন্মুক্ত গ্রীবায় চুমু খায়
বৃষ্টিস্নাত বিকেলের বিরহ বাতাস। নীলরঙা
ময়ূরীর নগ্ননৃত্যে মনে পড়ে যায় জলযুদ্ধে—
নির্জনে ঝলসে ওঠা কুমারী রাতের নাভিমূল।

কামুক কস্তুরী ঘ্রাণে বুকের বাগান ভরে থাকা
নাক্ষত্রিক জোছনায় কে যেন আমায় ডেকে যায়
অন্তহীন শতাব্দীর নিঃসঙ্গ শয্যায় লম্বালম্বি—
পড়ে আছি এই আমি ধূসর রঙের পাশাপাশি।

মৃত্যুবর্ণ বসন্তের ফেরারী ফাগুন পিঁপিলিকা—
পায়ে ক্রমশ পেরিয়ে যায় স্মৃতিসাকো। অতীতের
বিবস্ত্র স্বপ্নরা ব্যর্থ প্রেমিকের মতো কাঁদে একা
পাথর চোখের ক্ষীণ দৃষ্টি ছঁুয়ে নামে অশ্রম্নবন্যা।

বেতশ ফলের মতো অন্ধকারে আজো বারেবারে
ক্রমাগত জ্বলে ওঠে তার প্রিয়মুখ। হায় বর্ষা—
ঘোলাজলে বিধ্বস্ত স্বপ্নের গোপন গুহাদ্বারে
ঠাঁয় দাঁড়িয়ে একাকী কেবল করিস উপহাস।

অন্ধাবেগে আকাশের ওলান নিঃসৃত দুগ্ধবৃষ্টি
ঝরে পড়ে ভগ্নমনো—মন্দিরে। প্রবাসী সুরামোহে
সারারাত বিমোহীত ঈশ্বর একান্তে রাত জাগে
আর জেগে থাকে এক বর্ষণ মূখর দুঃখ স্মৃতি।


৩০-০৬-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ

এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।