পথশিশু
- শুভ বৈদ্য
শীতল জোছনায় পূর্ণিমা রাতে উতপ্ত কংক্রিটের রাস্তায়,
শুয়ে থাকা সেই কোমল শিশুটি সুখ খুঁজে পায় সস্তায়!
দিনের বেলায় সূর্যের আলোয় ছায়া খুঁজে বৃক্ষতলে,
অট্টালিকার এই নগরে বৃক্ষ কাটে সমান তালে!
দূষিত এই ইটের নগরে একটুখানি স্বস্তির আশায়,
সারাদিনের ক্লান্তি শেষে গভীর ঘুমে স্বপ্ন হাসায়!
জীর্ণ শীর্ণ ময়লা পোশাক পড়ে থাকে দীর্ঘদিন,
মনের মাঝে আশা আছে দুঃখের পরে আসবে সুদিন!
খোলা আকাশের নিচে শুয়ে করতে থাকে অপেক্ষা,
জানে না শেষ কবে হবে তার এই প্রতীক্ষা!
শীত গ্রীষ্ম বা বর্ষার দিনে দেয় না কেউ আশ্রয়,
তাইতো সে এখন আর পায় না অন্ধকারে ভয়!
পথের ধারে একলা শুয়ে গপ্প করে চাঁদের সাথে,
একাকিত্ব ঘিরে ধরে অমাবস্যার ওই নিঃসঙ্গ রাতে!
দিনের শেষে ফিরে আসে ল্যাম্পপোস্টের আলোর নিচে,
সারাদিনের ক্লান্তি সব ঝুলে থাকে জানালার কাঁচে!
বাসি পঁচা খাবার খেয়ে কখনো বা খালি পেটে,
দুচোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে পড়ে থাকে নদীর ঘাটে!
একটি আশা বুকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে অবুঝ শিশু,
একদিন সে মানুষ হবে বলবে না কেউ পথশিশু!
১৫-১০-২০২৪
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।