মহাসংকট
- আব্দুল ওহাব
উত্তাল সিন্ধু দুলছে জল কাণ্ডারীর হাতে হাল
চপল তরঙ্গে অস্থির নৌকা হচ্ছে টালমাটাল।
ওহে দুর্দমী! ঐ যে টলমল করে নৌকার পাল
গন্তব্য দূরে নয় কেটে যাবে বিপদের এ কাল।
কাণ্ডারী ধরছে হাল করতে তড়িৎ পারাপার
কলহ বিপদে কাণ্ডারী কেমনে করবে পার?
কাণ্ডারী তুমি ভুললে পথ গর্জিবে মহা সংকট
ওহে সাহসী নওজোয়ান সকলে বাঁধো জোট।
উদ্যমী জাতির সামনে ভয়াল উতরানো পথ
উত্তাল সাগর পারি দিতে দেখে দাও হিম্মৎ।
এসেছে পরীক্ষা কালের যাত্রায় ভুলো না পথ
বিপদে নৌকার যাত্রী উদ্ধারে হও একমত।
ঐ কাণ্ডারী হাল ছেড়ে দিলে হবে মহা সংকট!
কূলেতে ভেড়াতে না পারলে বাঁধবে মহা জট।
অসহায় যাত্রী না মরে ধুঁকে পাবে কী পরিত্রাণ?
যারা শিখেছে রক্তের বরণে গাইতে জয়গান।
কে বৌদ্ধ, খ্রীস্টান কে হিন্দু কে-বা মুসলমান
যাত্রীর সবাই মিলেমিশে হইতে হয় বলীয়ান।
কঠিন পরীক্ষা, কাঁধে উঠেছে স্বয়ং মহা ভার
মহা গোলযোগ হলে বিপদ রুখে সাধ্য কার?
কবিতার বিষয়বস্তু :
কবিতার বিষয়বস্তু হলো জাতীয় সংকটের সময়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান। কবি দেশকে একটি নৌকার সাথে তুলনা করেছেন, যা উত্তাল সাগরে বিপদে পড়েছে। কাণ্ডারী (নেতা) হাল ধরে আছেন, কিন্তু তার সাহস ও নেতৃত্ব প্রয়োজন।
কবিতায়:
- জাতীয় সংকটের চিত্র (উত্তাল সাগর, টলমল নৌকা)
- কাণ্ডারীর ভূমিকা ও গুরুত্ব
- ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান (ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে)
- বিপদে হাল ছেড়ে না দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার উপদেশ
কবিতার মূল বার্তা হলো দেশ সংকটে পড়লে সবাইকে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নেতার পাশে দাঁড়াতে হবে।
২৪-১২-২০২৫
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।