অতলান্তিক পাংশু
- প্রসূন গোস্বামী
দাঁড়াও অবাধ্য দ্বারে, ললাটে মাখিয়ে নাও বিষাদ-তিলক
এখনো ফেরেনি পাখি, কুয়াশায় মিশে গেছে আদিম পালক।
আমি তো আঁধার খুঁড়ি, নখরে বিঁধিয়ে রাখি জংধরা রাত
আমাকে গ্রাসুক আজ তোমার ওই ছায়াময় রিক্ত দু-হাত।
পচে যাক সব স্মৃতি, ঝরে যাক শ্বেতশুভ্র চন্দন-রেশ
আমার ভেতরে এক আদিগন্ত হাহাকার—অরণ্য-শেষ।
শৈবাল জমেছে মনে, রক্তে এখন শুধু লোনা জলধারা
আমি তো নিজেই নিজের নিভন্ত আগ্নেয়গিরি, দিশাহারা।
ভাঙো আজ সব সেতু, চূর্ণ করো এই কাঁচের মিনার
সহস্র নরক জাগুক, রুদ্ধ হোক শেষ মুক্তো-দুয়ার।
শুয়োরেরা চরুক হৃদয়ে, কামুক দাঁতে কাটুক পশম
আমি তো বিলীন হতে চাই—হতে চাই তুষার-অক্ষম।
ধুয়ে যাক চেনা পথ, মুছে যাক পরিচিত সব নামগান
এখন শ্মশান জুড়ে উড়ুক ধুলো আর ছিন্ন বিষাণ।
ফুরিয়ে আসুক আলো, স্তব্ধ হোক সময়ের সব কলস্বর—
তুমি আছ ছায়ার মতো, আমি হই একলা… ভয়ংকর।
০৩-০১-২০২৬
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।