ব্যঞ্জনবর্ণের ছড়া
- মোঃ নাসির উদ্দীন
ক-তে কলম হাতে নিই,
খ-তে খাতা ভরে দিই।
গ-তে গান গাই সুরে,
ঘ-তে ঘুড়ি ওড়ে দূরে।
ঙ বলে, ‘ঙ’-কে চিনে নাও,
চ-তে চলো এগিয়ে যাই,
ছ-তে ছবি আঁকতে চাই।
জ-তে জবা ফুলের মেলা,
ঝ-তে ঝরনা ঝরে বেলা।
ঞ বলে, মিঞা ভাই হাসেন।
ট-তে টিয়া পাখির ঠোঁট,
ঠ-তে ঠাকুরদাদার জোট।
ড-তে ডালিম পাড়তে যাব,
ঢ-তে ঢোল বাজিয়ে গাব।
ণ থাকে চুপটি করে।
ত-তে তিমি সাগর জলে,
থ-তে থালা সাজাই টেবিলে।
দ-তে দাদীর চশমা নাকে,
ধ-তে ধানের গোছা রাখে।
ন-তে নদীর কলতান।
প-তে পাখির রঙিন পাখা,
ফ-তে ফলের বাগান রাখা।
ব-তে বনের সবুজ ঘাস,
ভ-তে ভোরের শান্ত আকাশ।
ম-তে মায়ের আঁচল তলে।
য-তে যতন করে রাখা,
র-তে রঙের ছবি আঁকা।
ল-তে লাটিম ঘোরে বনবন,
ব (অন্তস্থ)-তে বীরের মতন।
শ-তে শিমুল তুলো ওড়ে,
ষ-তে ষাঁড়টি মাঠের পরে।
স-তে সাগর ঢেউয়ের রাশি,
হ-তে হাসির ঝিলিক হাসি।
ড় আর ঢ় আসে শব্দের শেষে,
য় থাকে কথার মাঝে মিশে।
ৎ, ং, ঃ, আর ঁ—
বর্ণমালা হলো সারা, মন করে শুধু উঁ!
১৪-০২-২০২৬
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।