চন্দ্রপরি
- None
চারদিক কোলাহল মুখর
চাঁদ উঠেছে আবারো,দীর্ঘকাল পর
এবার ঘুচবে আঁধার এই আশা নিয়ে
চিৎকার করে যায় সবাই
দেখে যাও পূর্ণিমার বিধূ
পূর্ণিমার এতো রূপ দেখিনি কখনো
কিংবা এতো আলোর সমাহার
দেখোনি এখনো?দেখে যাও
স্বার্থক কর চোখ তোমার।
একটি নতুন চাঁদ
আর তাকে ঘিরে
মানুষের উল্লাস অফুরান
এবার ঘুচবে আঁধার
ঘোচাবে এ পরি,চন্দ্রপরি।
তারপর ধীরে ধীরে
সে চাঁদের বেড়ে ওঠা
অনেক দায়িত্বের ভার তার নরম কাঁধে
সে কাঁধ কি ভেঙে পড়বে
নাকি শক্ত পোক্ত হবে ধীরে ধীরে?
শক্ত হয়ে ওঠে সে কাঁধ
না হয়ে উপায়ও নেই
আজন্ম বোঝা বইতেই হবে।
প্রচন্ড জ্যোতি নিয়ে জেগে থাকা চাঁদ
ফসকাতে চায়না
তার নেভা সাজে না
অনেক দায়িত্বের ভার তার কাঁধে।
কলঙ্ক আচড় মারতে চায় প্রতিনিয়ত
সে সচেতন
কলঙ্ক আচড় মেরেই ছাড়ে
কিন্তু প্রবল আলোর ঝলকানিতে
কলঙ্ক মুখ লুকায়
দূরে থাক দৃশ্যমান হবার স্পৃহা!
সে জ্বলতে থাকে
কারণ নেভা সাজে না তার
তার আলোয় অসংখ্য হৃদয়
বুনে যায় স্বপ্ন
স্বপ্ন বুনতেও কি আলো প্রয়োজন?!
সে জানে তাকে নিভতে হবে চিরতরে
অদূর কিংবা সুদূর ভবিষ্যতে
এক একটি মুহূর্ত পার করে সে
আর গ্রহণ করে এক একটি নতুন জীবন
প্রতিনিয়ত নেভে সে
জ্বলেও ওঠে দ্রুত
কেবল দ্রুত নয়,অতিদ্রুত।
এ দ্রুততা অলীক নয়
বাস্তব অতিমাত্রায়
সীমাহীন এ দ্রুততার খপ্পড়ে
এতোবড় ঘটনার ভুক্তভুগি
স্বয়ং চন্দ্রপরি বিভ্রান্ত হয় কখনো
তবুও সে জানে কোনটি সত্য
এবং চরম অসত্য জেনেও
সে ভাবতে ভালোবাসে
বিরতিহীনভাবে জ্বলেছি আমি
জ্বলছি আজো,জ্বলে যাব চিরকাল।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।