প্রণয়ভাজন
- আব্দুল্লাহ মোল্লা - অভিমন্যুর ব্যূহ
এক হাতে রণতূর্য অন্য হাতে বাঁশি
এই ছিল অস্ত্র আর মুখে ছিল হাসি।
মুখে ছিল বিদ্রোহ মনে ছিল প্রেম
ভারতবর্ষে ছিল শ্রেষ্ঠ মানব হেম।
বিদ্যাভ্যাস চর্চায় মগ্ন নিম্ন মাধ্যমিক
মেধা শুন্য বলে কথা এমন অনামিক।
বাল্যকালে প্রতিভাধর লেটো গানের দলে
তার কণ্ঠে মুগ্ধ সবে মুখে মুখে বলে।
নয় বছর বয়সে ব্যথিত পিতৃবিয়োগে
দশ বছর থেকেই যুক্ত কর্মনিয়োগে।
ছিলে হাজী পালোয়ান এক গোরস্থানের সেবক
আরো ছিলে তুমি মসজিদে সালাতের আহবায়ক।
শুরু করে তত্ত্ব দর্শন ইসলামী অধ্যয়ন
আল্লাহ তত্ত্ব নবীপ্রেমিক ছিলে মৃত্যু পূর্বক্ষণ।
ধীরে ধীরে অবতীর্ণ হলো বিশ্বায়ন মহা রচিয়তা
লেখায় চিন্তায় ধ্যানে মগ্নে ছিল সাম্যের কথা।
আগত প্রজন্মের লাগি লিখেছেন অমুল্য ধন
আজো তার গরহাজিরে মান্য করে হাজার মন।
বুকে লালন করতে বলেন মানুষকে মানুষে গণ্য
বাকরুদ্ধ অসুস্থতায় ও উদ্যম ছিল জাতির জন্য
চাহিল তিনি মানবতার গুণে মনুষ্য সমাজে আবৃত
আল্লাহর সন্তোষে তিনি মসজিদের পাশে শায়িত।
এক জনই হয় যুগশ্রেষ্ঠ
বেচে থাকে বহুসহস্র বছর
দ্বিতীয় তবে, ঘনীভুত ভবে
হবেনা নজরুল সদৃশ বিন্দু তসর!!
১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
মঙ্গলবার, দুপুরঃ ১১ঃ৪২
আশুলিয়, সাভার।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।