আর্টিফিসিয়াল চোখ তোমার
- দ্বীপ সরকার
ও মেয়ে, বড়ই আর্টিফিসিয়াল চোখ তোমার।
দেখি তো দেখতেই থাকি,
নকশী কাঁথার কৃত্রিম চোখ
ডুবে যাই নীলাভ গর্তে,
প্রতিবিম্ব ভেসে ওঠে নিয়ন আলোর গতিপথে,
কিন্ত ফিরতে পরিনা নিজের ভুলো পথে এক মহুর্ত।
আর্টিফিসিয়াল গন্ধব চোখ
বাঘেদের ডোরাকাটা আঁশ,
চপ্পল হরিনী এঁকেছে ন্যাচারাল পাঁপড়ি,
যান্ত্রিকতার আবর্তে মিহিন চোখ
যেনো রং তুলিতে বুনেছে জঙলীপনা পত্র পল্লব,
সেই পত্র পল্লব চিরে চিলতে খানেক
অস্থিরতা উঁকি দিতে থাকে আমার।
জীবনানন্দ দাশের বনলতাসেনের
বিভ্রমচারি চোখ সেও কেবলি পরাজিত
চোখেদের পালে লজ্জা আঁকে-
পাঁপড়িতে দোলে নরম দৃষ্টি এবং
গলে পড়া মোমের লজ্জা।
সমস্ত দৃষ্টি জুরে ভুলে থাকা লক্ষ বছরের দুরত্ব
টেনে তোলে অাত্নীয়তার আকর,
এসব তোমার ধূসর চোখের শিল্পের কারু বটে,
বান্ধবী! এবার তুমি বেরিয়ে পড়ো চোখের পাশে
জমা রাখবো যোযন বছর অবকাশ জুরে আমার।
ও তোমার কৃত্রিম চোখ! মলাটে বুনোন কৃত্রিমতা!
যেনো এক জোড়া শঙ্খ চিল!
অবসাদ কাটে দৃষ্টির কপাট খুল্লে আলসে মেজাজ,
বিশেষন তাই ব্যাখ্যাহীন থাকে
মাদক চোখের ফ্রেমে,
বালক প্রেম চুবিয়ে ওঠে শুভ্র শিশিরের ঘুম ভেঙ্গে,
অরন্যগুলো ভুল পথে এগোয়
তোমার দৃষ্টির টানে,
আমি শুধু চেয়ে দেখি গোপন অস্থিরতা
চোখের নিটলে নিঃশ্ব হচ্ছে, ক্ষয়ে যাচ্ছে।
দেখি তো দেখতেই থাকি
নকশী কাঁথার কৃত্রিম চোখ
ডুবে যাই নীলাভ গর্তে।
---------------------------------
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।