অবরুদ্ধ জাতী ও জাতীয়তাবাদ
- দ্বীপ সরকার
তাকে অবরুদ্ধ করেই রাখো,
তাকে শৃঙ্খলিত করেই রাখো,
ইট বালি সিমেন্টের ভেতরেই যতদিন
নিষ্প্রাণ করে রাখা যায় ;
এভাবেই কাউকে শৃঙ্খলিত করে
ওপাশ দিয়ে অগোচরে বেরিয়ে পড়ুক
হায়েনাদের সাঙ্গ পাঙ্গর দল,
কণ্টকাকীর্ণ পথ পরিস্কার করে
জন্ম হোক নব্য হিটলারের বংশধরদের।
এই খানে, এই দেশ আপামর জনতার-
আমার তোমার সবার,
গুলির শব্দ ফাটিয়ে আমাকেই নিয়ন্ত্রণ করো?
রাইফেলের নালায় জনতাকে নাচাও?
আর কতো চাও রক্তের হোলি?
আমরা মুক্ত হতে চাই।
এখানে মিছিল হবে মিটিং হবে
নাচবো,গাইবো,লিখবো,
পরিমল শ্বাস নেবো স্বাধীনচেতার
এই তো হওয়ার কথা ছিলো ;
অথচ মানুষের স্বাধীনতা ও গনতন্ত্র আজ বালুর ট্রাক বোঝাই জঞ্জালমাত্র ;
বন্দিদশা থেকে ভেঙ্গেচুরে
জনতার হাতে ফিরে দাও হে বিরাঙ্গনা!
এই দুঃসময়ে মুষ্টিবদ্ধ হাত সব এক হও-
সকল পেশাজীবি শ্রমজীবি মজদুর,
এক্ষুনি অস্তিত্বের দেয়াল টপকে
এই সংকট থেকে বেরিয়ে আসো প্রজন্ম চত্ত্বরে ;
ইট বালির পাশে অসহায় মানবতাকে
অবলুণ্ঠিত হতে দেবো না
আর দেয়া যায়না-
জাগ্রত হও খুদিরাম এই খানে আবার,
এদেশকে সত্যতার পরিমাপে মেপে দাও
একটি তরতাজা জাতীয়তাবাদ;
জাগ্রত হও হে বীর শ্রেষ্ট মহানায়করা!
অবরুদ্ধ গনতন্ত্রকে দিনের আলো দেখাও,
মানুষকে স্বাধীনভাবে পথ চলার বাস যোগ্য করে দাও,
মুক্তি পাক মানুষের দীর্ঘশ্বাস!
লেখাঃ ১৭/১/১৫ইং
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 0টি মন্তব্য এসেছে।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।