আজ ২০ অগ্রাহায়ণ ১৪২৯, রবিবার

রুগ্ন বিড়ালের গল্প
- সাদমান সাকিল

বিড়ালটির শরীর খুব দুর্বল-
হাঁটে খুব কষ্টে-
এক পা দেয় আলতো করে-
পরে, অনেক কষ্ট করে আরেক পা!
এই দৃশ্য দেখে মনে হতে পারে-
বিড়ালটি এভারেস্টের চূড়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
বিড়ালটি কালো-
কালো কেশগুলির মাঝে ছোপ ছোপ সাদা কেশ উঁকি দেয়।
বিড়ালটি ক্ষুধার্ত, বিড়ালটি তৃষ্ণার্ত্ব
সে তিন দিন ধরে না খেয়ে আছে-
বিড়ালটি জিহ্বা দিয়ে চেটে কাঁদামাখা ময়লা পানি খাচ্ছে।
বিড়ালটি জানে না তার মা কোথায়,
জানে না তার বাবা কোথায়।
বিড়ালটি কাঁদতে জানে না, যদিও তার মনে অনেক কষ্ট।
বিড়ালটি আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে অনুভুতিহীন দৃষ্টি নিয়ে,
সে ভাবে, কে সে? সে ভাবে সে কোথা থেকে এসেছে?
সে ভাবে সে কোথায় যাবে?
এবার আমি এখন আমার দেখা এক মেয়ের কথা বলবো,
মেয়েটির চোখ ঘোর লাগানো,
দাঁতগুলো অসম্ভব রকমের সাদা,
মেয়েটি হাসলে পৃথিবীর কষ্টরা কষ্ট কি জিনিস ভুলে যায়।
আমি জানি, মেয়েটি রুগ্ন বিড়ালটিকে দেখলে
অতি আদরের সাথে কোলে তুলে নিবে-
বিড়ালটির গায়ে শত রাজ্যের ময়লা আছে? থাকুক।
তবুও সে কোলে তুলে নিবে আদুরে হাতে।
মিষ্টি কন্ঠে মেয়েটি রুগ্ন-শীর্ণ বিড়ালটিকে বলবে-
বাবু, খিদা পেছে? কি খাবা? রুটি? চকোলেট? বার্গার?
বিড়ালটি অবাক করা চোখে তাকিয়ে র'বে মেয়েটির পানে-
হয়ত বিড়ালটি মমতা কি জিনিস বুঝে ফেলবে-
অথবা বুঝবে না,
মেয়েটির নরম আঙুল মমতা মাখতে থাকবে বিড়ালটির গায়ে...
-----------------------
সাহিত্য সম্পাদক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম আলো বন্ধুসভা।
সাহিত্য সম্পাদক, গ্লোবালপোস্ট২৪ডটকম।

মন্তব্য যোগ করুন

কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।

মন্তব্যসমূহ