জোনাকি
- সোহরাব হোসেন - ষোড়শী কাব্যমালা
রাত্রি নিশিতে দূর আকাশে প্রাণহীন তারা,
বিশাখার নক্ষত্র কি তুমি? নিথর, অধরা!
শত আলোকবর্ষ দূরেতে, ওহে দীর্ঘজীবী!
মিটিমিটি অণুলণ্ঠন জ্বলে, শত ক্ষণজীবী
দেখ কিনা এই দূরদেশে? মাঠের এ তারা,
শীতনিদ্রা সাঙ্গ করে বসন্তে এসে দিশেহারা।
প্রেমের রসায়ন হৃদয়ে, পুচ্ছে জ্বেলে আলো
নিশাচর জোনাক খোঁজে- কে বাসে তারে ভালো!
পাথুরে বর্ণময় রজনী, লোকালয় ছাড়ি—
নির্জনে পতঙ্গের তালাশ, তার কোন বাড়ি!
প্রেমময়ী, ঐ স্বপ্রভ ডাকে দেবে কিনা সাড়া?
অমিয় প্রেম সুধায় হবে কিগো আত্মহারা!
জলের ধারে ঝোপ-ঝাড়ে সে ঘর বেঁধে দিবে,
এসকারগোট দিবে পাতে, মন পুরে খাবে।
শতধা সুরে বাঁধিবে সদা রজনী প্রহর—
স্নিগ্ধ নেশার পিদিম জ্বেলে, হবে সহচর?
বুধবার, পতেঙ্গা
২৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ইং।
০৬-০৬-২০২৩
রকমারি থেকে বই কিনুন
মন্তব্যসমূহ
এখানে এপর্যন্ত 1টি মন্তব্য এসেছে।
২৬-০১-২০১৮ ০০:৩৩ মিঃ
আমার চতুর্থ ষোড়শী কবিতা! পুরাতন কবিতার ষোড়শী রূপ।
১০ পদ + ৬ পদ = ১৬ পদ প্রতিটি চরণে
এভাবেই ১০ চরণ + ৬ চরণ = সর্বমোট ১৬ চরেণর (লাইন) কবিতা
প্রথম ১০ চরণে উপস্থাপনা, শেষ ৬ চরণে নিবেদন, এভাবেই হয়েছিল ষোড়শীর স্থাপত্য নকশা।

মন্তব্য যোগ করুন
কবিতাটির উপর আপনার মন্তব্য জানাতে লগইন করুন।